নীলফামারীর সৈয়দপুর ১০০ শয্যা সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে। হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা (আরএমও) ডা. নাজমুল হুদার আন্তরিক তদারকি, চিকিৎসক-নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় প্রতিদিন শত শত রোগী সেবা পাচ্ছেন। হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিন বহির্বিভাগে (আউটডোর) গড়ে ৫ শতাধিক রোগী চিকিৎসাসেবা গ্রহণ করছেন। এছাড়া হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে প্রতিদিন ৩ শতাধিক রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। শুধু সৈয়দপুর নয়,নীলফামারীর সেনারায়, চড়াইখোলা,সংগলশী, চিরিরবন্দরের বিন্নাকুড়ি,হাসিমপুর,রানীরবন্দর,চাম্পাতলী, পার্বতীপুরের রাবেয়া, সোনাপুকুর, বেলাইচন্ডীসহ বিভিন্ন এলাকার রোগীরাও এ হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন।
রোগী ও স্বজনরা জানান, আগের তুলনায় চিকিৎসাসেবার মান বৃদ্ধি পেয়েছে। চিকিৎসকদের নিয়মিত উপস্থিতি, রোগীদের প্রতি আন্তরিক আচরণ, প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান এবং হাসপাতালের পরিচ্ছন্ন পরিবেশ রোগীদের আস্থা বাড়িয়েছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়,সীমিত জনবল ও অবকাঠামোগত নানা সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে। জরুরি বিভাগ, বহির্বিভাগ এবং ওয়ার্ডগুলোতে সেবার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. নাজমুল হুদা বলেন, রোগীদের মানসম্মত ও মানবিক চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। হাসপাতালের সকল চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের সমন্বিত প্রচেষ্টায় সেবার মান আরও উন্নত করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতা এবং সেবার মানোন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে সৈয়দপুর ১০০ শয্যা সরকারি হাসপাতাল উত্তরাঞ্চলের অন্যতম নির্ভরযোগ্য চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে আরও সুপ্রতিষ্ঠিত হবে।