মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার বেজগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক শিক্ষার্থীকে শ্লীলতাহানির ঘটনায় দায়ের করা মামলার আসামি বিদ্যালয়ের দপ্তরি কাম নৈশ প্রহরী মো. আলমগীর হোসেনকে (৪২) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গ্রেপ্তার হওয়া আলমগীর হোসেন উপজেলার হাটভোগদিয়া গ্রামের হাসান সরদারের ছেলে। মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। লৌহজং থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. বোরহান উল ইসলাম জানান, এসআই প্রবীরের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়ের হওয়া মামলার আসামি আলমগীর হোসেনকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জানা যায়, গত রবিবার ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা বাদী হয়ে লৌহজং থানায় অভিযুক্তের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, দপ্তরি আলমগীর হোসেন বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ওই ছাত্রীকে তাঁর মোবাইল ফোনে আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও দেখান। পরে একই ধরনের ছবি ও ভিডিও ধারণ করে তাঁর ইমো ও হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে পাঠানোর জন্য শিশুটির ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, এর আগেও বিদ্যালয়ের দোতলায় নিয়ে ওই ছাত্রীকে শ্লীলতাহানি করা হয়েছিল। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, দপ্তরি আলমগীর শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে বলেন, তাঁর নির্দেশ অনুযায়ী ছবি ও ভিডিও না পাঠালে তাকে 'রামিসা'র মতো হত্যা করা হবে। এই হুমকির পর থেকে শিশুটি চরম মানসিক আতঙ্ক ও উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে বলে পরিবারের দাবি।