পুলিশের ধাওয়ায় কচুরিপানায় লুকিয়ে থাকা অন্তজেলা গরুচোর চক্রের দুই সদস্যকে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুর ২ টায় নাটোরের সিংড়া উপজেলার চৌগ্রাম এলাকার খালের কচুরিপানার ভেতর থেকে তাদের উদ্ধার করে পুলিশে সোপর্দ করেন এলাকাবাসী।
গ্রেফতারকৃতরা হল আন্তজেলা গরু চোর চক্রের সদস্য হাবিবুর রহমান (৪৩), সে ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার আতারামপুর গ্রামের কুদরত আলীর ছেলে। এবং ফেরদৌস (২৬), সে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি থানার মহিপুর গোপালপুর গ্রামের মোস্তাক আলীর ছেলে। গ্রেফতারকৃত দুইজনই নওগাঁ জেলার আত্রাই থানার কাশিয়াড়ী গ্রামের আসলাম দেওয়ান গ্রুপের সদস্য। এই ঘটনায় আন্তজেলার গরু চোর চক্রের মুলহোতা আসলাম দেওয়ানও গ্রেফতার রয়েছে।
পুুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার গভীর রাতে আসামী আসলাম দেওয়ানের তথ্য মতে ওই চক্রের সদস্যদের আটকে সিংড়ার চৌগ্রাম এলাকা চেকপোষ্ট বসায় পাশবর্তী রাণীনগর থানা পুলিশ। চেকপোস্ট চলাকালীন ধৃত চোর আসলাম দেওয়ানের গ্রুপের আন্তজেলা গরুচোর চক্রের ৫ থেকে ৬ জন সদস্য একটি অজ্ঞাতনামা মিনি ট্রাক নিয়ে চৌগ্রাম-কালিগঞ্জ আঞ্চলিক সড়ক দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ তাদের ধাওয়া করেন। এ সময় পুলিশের ধাওয়া খেয়ে চোর চক্রের দুজন সদস্য হাবিবুর ও ফেরদৌস ছোট চৌগ্রাম বাজার এলাকায় রাস্তার পাশের খালের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে কচুরিপানার মধ্যে লুকিয়ে পড়ে। আর পিকআপ সহ বাঁকী সদস্যরা পালিয়ে যায়। এদিকে খালে ঝাঁপ দেয়া দুইজন চোর চক্রের সদস্যকে স্থানীয় জনতা ঘিরে রাখে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে যান সিংড়ার ইউএনও আব্দুল্লাহ আল রিফাত। পরে প্রশাসনের সহযোগিতায় ৮ ঘন্টা চেষ্টার পর লুকায়িত দুইজনকে উদ্ধার করে পুলিশে সোপর্দ করেন ফায়ার সার্ভিসের ডুবরী দল ও এলাকাবাসী। সিংড়া থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, আন্তজেলার গরু চোর চক্রের মুলহোতা আসলাম দেওয়ান সহ তার গ্রুপের আরো দুই সদস্য থানায় গ্রেফতার রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে রাণীনগর থানায় একটি মামলা রুজু রয়েছে। আর বর্তমানে সিংড়া থানায় আরেকটি মামলা প্রক্রিয়াধীন।