বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত সংরক্ষিত মহিলা আসন-৪৩ এর সংসদ সদস্য শামছুন্নাহার বেগম বলেছেন, দুর্যোগে দেশের এক অঞ্চলের মানুষ কষ্ট পাবে, আরেক অঞ্চলের মানুষ আনন্দ-উৎসবে মেতে থাকবে-এটি কখনও কাম্য নয়। সবাইকে সম্মিলিতভাবে বিপদ মোকাবেলা করতে হবে। বিশেষ উদ্যোগ নিয়ে বিপদগ্রস্থদের পাশে দাঁড়াতে হবে। সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগ ও প্রচেষ্টায় দেশ ও জাতি কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছবে ইন শা আল্লাহ।
শনিবার (১৮ জুলাই) দক্ষিণ চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি একথা বলেন। তিনি উপজেলার বাজালিয়া ও পুরানগড় ইউনিয়নের বন্যার্তদের মাঝে নগদ দুই হাজার টাকা হারে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন। এছাড়াও তিনি বাজালিয়া স্টেশনের নিকটে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী কওমী মাদরাসা নাজমুল উলুৃম মাদরাসা, হেফজখানা ও এতিমখানা পরিদর্শণ করেন। পরিদর্শণ শেষে তিনি সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীর সাথে মতবিনিময় করেন। তিনি উক্ত মাদরাসার সকল এতিম শিক্ষার্থীর পরিবারের জন্য এক হাজার হারে নগদ টাকা এবং মাদরাসার জন্য নগদ টাকা ও চাল প্রদান করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর স্থানীয় শাখার উদ্যোগে এবং মানবিক সংগঠন আলোকিত পুরানগড়ের আয়োজনে ও তামাদ্দুন তাহজীব নামক সামাজিক সংগঠনের সহযোগিতায় এসব কর্মসূচী পালিত হয়।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলার মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি ও লোহাগাড়া উপজেলা পরিষদের সাবেক নির্বাচিত ভাইস চেয়ারম্যান গুলশান আরা হোসাইন, উত্তর সাতকানিয়া সাঙ্গু সাংগঠনিক উপজেলা জামায়াত আমীর মাস্টার সিরাজুল ইসলাম, সেক্রেটারি মোহাম্মদ ইলিয়াছ, বাজালিয়া ইউনিয়ন জামায়ত আমীর আলহাজ মাসুকুর রহমান, সেক্রেটারি অধ্যক্ষ ইসমাইল মুহাম্মদ রাশেদ, কেঁওচিয়া ইউনিয়ন জামায়ত সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, জামায়াত নেতা আব্দুল হাই সিকদার, ফিরোজ আহমদ, মাওলানা কাইছারুল হক, সমাজসেবক আবু জাফর সিকদার, সাইফুল্লাহ মুহাম্মদ সায়েম, ইসমাইল হোসেন, জাহাঙ্গীর আলম, হেলাল কিবরিয়া প্রমূখ। এছাড়াও বাজালিয়া এবং পুরানগড়ের স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। বাজালিয়া নাজমুল উলুম মাদরাসার মুহতামিম মাওলানা মামুনুর রশিদের মুনাজাতের মধ্য দিয়ে কর্মসূচী সমাপ্ত হয়।