পাবনার সাঁথিয়ায় লিবিয়া প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে আলিফ নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার(২১জুলাই)উপজেলার আর আতাইকুলা ইউনিয়নের রঘুনাথপুর এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত আলিফ(২৫)রঘুনাথপুর গ্রামের প্রয়াত রইজ শেখের ছেলে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ওই নারীকে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন বলে জানান আতাইকুলা থানার ওসি মজিবুর রহমান। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে লিবিয়া যান রঘুনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা বাদশা হোসেন। এরপর তার স্ত্রী আসমানী খাতুনের(২৩)সঙ্গে আলিফের পরকীয়া প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে স্থানীয়দের অভিযোগ। সম্পর্কের জের ধরে গতকাল সোমবার(২০ জুলাই)রাতে আলিফ ওই নারীর বাড়িতে যান। মঙ্গলবার(২১জুলাই) সকাল ৯টার দিকে পরিবারের অন্য সদস্যরা ওই নারীর ঘর থেকে আলিফের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা জানান, বাদশার স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়ার সম্পর্ক থাকার কারণে আলিফ রাতে সেখানে গিয়েছিলেন। অনৈতিক সম্পর্কে বিষয়টি টের পেয়ে তাকে হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখা হতে পারে বলে তাদের সন্দেহ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয়রা আরো অনেকেই জানান, আলিফ রাতে ওই নারীর সাথে দেখা করতে গিয়ে তার সাথে মান অভিমানের কারণে সে ওই নারীর ঘরে আঁড়ার সাথে গলায় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে। আতাইকুলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি)মজিবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরকীয়া প্রেমের জের ধরে এ ঘটনা ঘটতে পারে। মরদেহ উদ্ধার করে পাবনা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গভীরভাবে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।