চৌগাছায় আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

এফএনএস (এম. কে সিদ্দীক; চৌগাছা, যশোর) : | প্রকাশ: ২৪ জুলাই, ২০২৬, ০৬:৫৮ পিএম
চৌগাছায় আ.লীগ নেতার বিরুদ্ধে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ

যশোরের চৌগাছায় আদালতের আদেশ অমান্য করে আওয়ামীলীগ নেতা তপন কুমার হালদারের বিরুদ্ধে এক কৃষকরে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার স্বরুপদাহ ইউনিয়নের টেঙ্গুরপুর গ্রামের নুরনবী নামে এক কৃষক প্রতিকার চেয়ে বিভিন্ন দপ্তরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সরেজমিনে গিয়ে কথা হয় উপজেলার টেঙ্গুরপুর গ্রামের ইনসান খানের সাথে আলাপ কালে তিনি জানান, ভুক্তভোগী টেঙ্গুরপুর গ্রামের মৃত বজলুর রহমানের ছেলে নুরনবী হাজরাখানা গ্রামের মৃত কেষ্ট হালদারের ছেলে অনিল কুমার হালদারের নিকট থেকে ৩৯ শতক জমি ক্রয় করেন। ২০০৮ সাল থেকে হাজরাখানা মৌজার ৮৬৪ নম্বর দাগের জমি দলীল মুলে তিনি ভোগ দোখল করে আসছেন। এ জমি তিনি নিজ নামে নামজারিও করেছেন। ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের করেন নিয়মিত। সর্বশেষ ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রসিদ অনুযায়ী ৩১ ডিসেম্বর ২০২৬ সাল পর্যন্ত তার শোধ রসিদ রয়েছে।

এদিকে দাতা অনিল হালদার মৃত বরণ করার পর তার ভাতিজা সুধীর হালদারের ছেলে ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের নেতা তপন কুমার হালদার, বিয়ন কুমার হালদার, অরুণ কুমার হালদার, রাম কুমার হালদার ও প্রদীপ কুমার হালদার কৃষক নুরনবীকে হয়রানি করতে আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় আদালত শুনানী শেষে মামলায় রায় না হওয়া পর্যন্ত উভয়েকে জমির উপর প্রবেশ নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। আদালতের এ আদেশকে অমান্য করেন আওয়ামীলীগের নেতা তপন কুমার হালদার ঐ জমিতে প্রবেশ করে দখলের চেষ্টা করছেন। উল্লেখ্য মৃত অনিল হালদারের ৩ পুত্র রঘু হালদার, মদই হালদার ও বিকাশ দালদার জীবিত থাকলেও তাদের এ জমির নিয়ে কোন অভিযোক নেই।

কৃষক নুরনবীর অভিযোগ, তপন কুমার হালদার স্থানীয় এক আওয়ামীলীগ নেতার প্রভাব খাটিয়ে জমিটি ক্রয়ের পর থেকেই হুমকি-ধামকি দিয়ে আসছে। তারা বিভিন্ন সময়ে একের পর এক মামলা দায়ের করে আমাকে জমির দখল থেকে বঞ্চিত করার চেষ্টা করে আসছে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন তিনি। প্রায় ১৮ বছর ধরে চলমান এই বিরোধের কারণে তিনি চরম মানসিক চাপ, অর্থনৈতিক ক্ষতি এবং সামাজিক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আদালতের নিকট আওয়ামীলীগ নেতার ষড়যন্ত্র থেকে জমির প্রকৃত মালিকানা নির্ধারণ ও দ্রুত স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে