কলাপাড়ায় বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

এফএনএস (মিলন কর্মকার রাজু; কলাপাড়া, পটুয়াখালী) : | প্রকাশ: ২৫ জুলাই, ২০২৬, ০১:২৯ পিএম
কলাপাড়ায়  বিদ্যালয়ের বিরুদ্ধে জমি দখল ও টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার খেপুপাড়া  সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দখলে থাকা ১৮ একর ৯১ শতাংশ জমি নিজেদের দাবি করে সংবাদ সম্মেলন করেছে জমির ওয়ারিশরা। শনিবার সকাল ১১ টায় কলাপাড়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে জমির ওয়ারিশদের পক্ষে  লিখিত বক্তব্যে এ দাবি করেন আবু তালেব ইভান মাতুব্বর। সংবাদ সম্মেলনে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভূমি অধিগ্রহণের ৬৫ লাখ টাকা উত্তোলন করে আত্মসাতের অভিযোগ করেন । তাদের দাবি  সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলমান অবস্থায় অবৈধ ভাবে রায় ডিক্রি গোপন করে মোটা অংকের অর্থের বিনিময় প্রধান শিক্ষক আঃ রহিম গোপনে পটুয়াখালী এলএও অফিস হতে তাদের  মালিকানাধীন সিক্স লাইনের রাস্তার ভূমির সরকারী ক্ষতিপূরন এ টাকা গ্রহণ করে আত্মসাত করেছেন। 

তিনি অভিযোগ করেন,স্কুল কর্তৃপক্ষ ৫৮০০ টাকার বিনিময়ে ১৯৫৯ সালে ১নং অউঋঈ কেচ মূলে খেপুপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় উক্ত নিলামকৃত জমি খরিদ করেন। মোবারক আলী হাওলাদারের ওয়ারিশগণ বিষয়টি জানতে পেরে তৎকালীন সময় নিলাম রদ করার জন্য বরিশাল সাব জজ আদালতে ১৬২/৬৭নং মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে সালিশ বৈঠকে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও মোবারক আলীর ওয়ারিশদের সাথে ১৯৭৫ সালের ১৯ এপ্রিল  তারিখে একটি জরুরী সভা ডাকেন এবং সিদ্ধান্ত নেন যে, বর্তমান বাজার মোতাবেক ১০ হাজার টাকা প্রদান করলে নিলামকৃত সম্পত্তি মোবারক আলীর ওয়ারিশগণের বরাবরে ৩৪.৭৬ একর জমি ফেরত কবলা ও রেজিষ্ট্রী করিয়া দিবে।

চুক্তি মোতাবেক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ৭৭ সালে আমাদের নিকট হইতে ৩১৫০ টাকা গ্রহন করে ১৫.৮৫ একর জমি আমাদের অনুকূলে রেজিঃ দলিল করিয়া আমাদের বরাবরে দখল বুঝাইয়া দেন। এবং চুক্তি মোতাবেক বাকী জমি ৬৮৫০  টাকা বাংলা ১৩৮৪ সন হইতে ১৩৯১ সনের মধ্যে ফেরত দিলে ১৮.৯১ একর জমি আমাদের বরাবরে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বুঝাইয়া দিবে। কিন্তু  বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আমরা বার বার  টাকা নিয়ে বাকি  ১৮.৯১ একর জমি রেজিষ্ট্রি দলিল দেয়ার জন্য অনুরোধ করি। কিন্তু বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছ থেকে টাকা না নিয়া জমি রেজিঃ দলিল না দিয়া আজ কাল বলিয়া তালবাহানা করতে থাকে। তাদের দাবি আদালতের সকল নির্দেশ অমান্য করে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তাদের জমি দখল করে রেখেছে।  তাই তাদের জমি ফেরত পেতে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেন। এ বিষয়ে খেপুপাড়া মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুর রহিম তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করেন এবং মিথ্যা দাবি করেন। একই সাথে বিরোধীয় জমি বিদ্যালয়ের সম্পত্তি বলে দাবি করেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে