লক্ষ্ণীপুরের মেঘনা নদীর রামমোহন চরে গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হামলায় অন্তত সাতজন মহিষপালক আহত হয়েছেন। বুধবার ভোরে (২৯ জুলাই) মেঘনার তিনটি চরে প্রকৃত খামলা চালায়। এ সময় ডাকাতরা মহিষ, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। এছাড়া অন্তত ১০টি মহিষের এখনও কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না জানিয়েছেন চরের লোকজন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার ভোরে ১০ থেকে ১২ জনের একটি অস্ত্রধারী ডাকাত দল রামমোহন চরসহ তিনটি চরে হামলা চালায়। তারা মহিষপালকদের বেধড়ক মারধর করে গুরুতর আহত করে এবং তাদের কাছে থাকা মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও মহিষ লুট করে নিয়ে যায়। আহতরা হলেন শাহজাহান, জুয়েল, জহির, নবী, নিজাম, কাদির ও রুবেল। তাদের মধ্যে কেউ লক্ষ্ণীপুর, কেউ ভোলা এবং কেউ নোয়াখালী জেলার বাসিন্দা। আহতদের লক্ষ্ণীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। একই রাতে ডাকাত দল আব্দুল সাত্তার মাল, জাহাঙ্গীর মাল, মিলাদ মাল, চরপাতার ইউসুফ ছৈয়াল, তাহের, হেলাল চেয়ারম্যান, আনোয়ার, শাহজাহান ও গিয়াস উদ্দিনের কিল্লায়ও হানা দেয়। সেখানে মহিষপালকদের বেঁধে রেখে মোবাইল ফোন, নগদ টাকা ও মহিষ লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তরা দ্রুত ডাকাতদের গ্রেপ্তার এবং লুট হওয়া মহিষ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
জিল্লাল সরদার, আনোয়ার হোসেন ও স্থানীয়দের দাবি, একই রাতে তিনটি চরে চারটি পৃথক ডাকাত দল তাণ্ডব চালায়। এ ঘটনায় চরাঞ্চলের মহিষপালকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। এ বিষয়ে লক্ষ্ণীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওয়াহিদ পারভেজ বলেন, “ঘটনার কথা শুনেছি। লিখিত অভিযোগ বা মামলা হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।