ভোরের বৃষ্টিতে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার আমবাগান মাঠে এক হাটু পানি

এফএনএস (সেলিম আহমেদ; ঈশ্বরদী, পাবনা) : | প্রকাশ: ৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৬ এএম
ভোরের বৃষ্টিতে ঈশ্বরদী পৌর এলাকার আমবাগান মাঠে এক হাটু পানি

দেখে মনে হবে এটি কোন জলাশয়। তবে এটি কোন দিঘী ডোবা বা জলাশয় নয়। এটি ছেলেমেয়েদের খেলার পুলিশ ফাঁড়ি মাঠ। পাবনার ঈশ্বরদী পৌর এলাকার বাজার সংলগ্ন প্রাণ কেন্দ্র হওয়ার পরেও অবহেলিত মহল্লা হচ্ছে আমবগান। এখানে সামান্য বৃষ্টি হলেই খেলার মাঠ, রাস্তা ঘাট পানিতে তলিয়ে যায়। বাড়িতে পানি ঢ়ুকে ঘরে থাকা আসবাব পত্র নষ্ট হয়ে যায়।

বুধবার ( ০৫ আগষ্ট) ভোররাতের বৃষ্টিতেই আমবাগান এলাকায় রাস্তা ও মাঠে এক হাঁটু পানি জমে গেছে। ভুক্তভোগীরা মনে করেন পৌর কর্তৃপক্ষের অবহেলায় এমনটা হয়ে থাকে। ভোরের বৃষ্টিতেই শহরের আমবাগান কলোনীর রাস্তা-ঘাট, মাঠ বৃষ্টির পানিতে এভাবে তলিয়ে গেছে। নোংরা পানি পেরিয়ে এলাকাবাসীকে চলাচল করতে হচ্ছে। বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যাওয়ার কারণে রাস্তা দেখে মনে হবে এটি একটি জলাশয় কিংবা দিঘি। পানি অপসারনের ব্যবস্থা না থাকায় পৌরসভার উদাসিনতায় সামান্য বৃষ্টিতে তা তলিয়ে যায়। 

এলাকাবাসিরা জানান, ঘন বসতি হওয়ার কারণে এই এলাকায় পৌরকর বেশি আদায় হয়ে থাকে। আমবাগানের প্রায় প্রতিটি বাড়ির পৌরকর পরিশোধ রয়েছে। নিয়মিত পৌরকর পরিশোধ করার পরেও আমরা পৌর নাগরিক সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। এলাকার রাস্তার ইট তুলে মাটি কিংবা বালু দিয়ে উচু করে দেওয়ার জন্য বারং বার তাগিদ দেওয়া হলেও কাজে লাগেনি। আমাদের এলাকার ড্রেনেজ ব্যবস্থা ভাল না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই রাস্তা-ঘাট, খেলার মাঠ বৃষ্টির পানিতে তলিয়ে যায়। 

আমবাগানের স্থায়ী বাসিন্দা সাকিবুল হাসান বলেন, পরিকল্পনা বিহীন ড্রেন নির্মাণ করার কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। যেখানে ৪-৫ ফুট চওড়া ডেন নির্মাণ করার প্রয়োজন, সেখানে রয়েছে মাত্র দেড় দুই ফুট চওড়া ড্রেন। শহরের শেরশাহ রোড, ফকিরের বটতলা, কদমতলা, ঈদগা রডের আংশিক ও আমবাগানের পানি এই ড্রেন দিয়ে নেমে যায়। সামান্য বৃষ্টি হলেই আমবাগানে রাস্তাঘাট এবং খেলার মাঠ পানিতে তলিয়ে যায়। গত বছর তৎকালীন ইউএনও সুবীর কুমার দাস পরিদর্শনে এসে পৌরসভার ইঞ্জিনিয়ার এবং সচিব সাহেবকে পুলিশ ফাঁড়ির পাশের কালভার্টটি ভেঙে চওড়া করার জন্য অনুমতি দিয়েছিলেন। সুবীর দাসের পরে আরও দুইজন ইউএনও বদলি হয়েছেন এরপরেও কালভার্টটির সংস্কার হয়নি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে