ঘোড়াউত্রা নদীতে বাল্কহেড থামিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

এফএনএস (মহিউদ্দিন লিটন; হাওর অঞ্চল, কিশোরগঞ্জ) :
| আপডেট: ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০২:০৪ পিএম | প্রকাশ: ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০১:১১ পিএম
ঘোড়াউত্রা নদীতে বাল্কহেড থামিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ

কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলার ছাতিরচর ঘোড়াউত্রা নদীর নৌরুটে প্রকাশ্যে ছোট নৌকা নিয়ে বাল্কহেড থামিয়ে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে দুই হিজড়া ও তাদের এক সহযোগীর বিরুদ্ধে। প্রতিটি বাল্কহেড থেকে ২০০ টাকা করে চাঁদা আদায় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন নৌযান শ্রমিকরা। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে ছাতিরচর ঘোড়াউত্রা নদীর নৌরুটে ছোট নৌকা নিয়ে বাল্কহেড থামিয়ে টাকা আদায় করতে দেখা যায় বলে স্থানীয়রা জানান। অভিযোগ রয়েছে, চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে নৌযান চালক ও শ্রমিকদের গালিগালাজ এবং মারধর করা হয়। অভিযুক্তদের বাড়ি নিকলী উপজেলার গুরই ইউনিয়নে বলে জানা গেছে। ঘটনাস্থলে থাকা রফিকুল হিজড়া চাঁদাবাজির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমরা দশ-পাঁচ টাকা চেয়ে নিই। আমরা তো চুরি করি না, ডাকাতিও করি না।” তার সঙ্গে থাকা অপর হিজড়ার নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। তিনিও দাবি করেন, তারা চাঁদাবাজি করেন না; মানুষের কাছ থেকে ১০-৫ টাকা চেয়ে নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন।

তবে বাল্কহেড চালক ও শ্রমিকদের দাবি, তাদের কাছ থেকে ১০-৫ টাকা নয়, প্রতিটি বাল্কহেড থেকে ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে গালিগালাজ ও মারধরের ভয় দেখানো হয় বলেও অভিযোগ করেন তারা। এ বিষয়ে বাজিতপুর বাল্কহেড নৌযান মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নূর মোহাম্মদ বাচ্চু বলেন, “আমরা এর আগেও অনেক অভিযান করেছি। তারপরও চাঁদাবাজি বন্ধ করা যাচ্ছে না। নৌপথে প্রশাসনের নিয়মিত টহল থাকলে হয়তো চাঁদাবাজি রোধ করা যেত।” নৌযান মালিক ও শ্রমিকদের অভিযোগ, নদীপথে প্রকাশ্যে এভাবে চাঁদা আদায়ের কারণে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে নৌপথে চাঁদাবাজি বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে