ধর্ষণ চেষ্টা মামলায় পিরোজপুরে একজনকে সাত বছরের জেল দিয়েছে এক আদালত। দন্ডিত ব্যক্তি জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের আলমগীর হোসেন। আজ সোমবার দুপুরে পিরোজপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল এর বিচারক মেহেদী আল মাসুদ ওই রায় দেন। বিচারক তার রায়ে দন্ডিত আলমগীরকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৬ মাসের সশ্রম কারাদন্ডেরও আদেশ দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার কচুবাড়িয়া গ্রামের দুবাই প্রবাসী সান্টু আকনের স্ত্রী সাহিদা বেগমের (৩৮) ওপর কুদৃষ্টি পড়ে একই এলাকার আলমগীর হোসেনের। ২০২০ সালের ১ জানুয়ারী আলমগীর হোসেন সাহিদা বেগমের ঘরে প্রবেশ করে তাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। সম্মান ও ইজ্জত বাঁচাতে সাহিদা ঘরে থাকা চাকু দিয়ে আলমগীরের গোপনাঙ্গ কেটে দিলে আলমগীর আহত অবস্থায় পালিয়ে যায়। পরে সাহিদা বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় আলমগীরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ চেষ্টার মামলা দায়ের করে। মামলায় সাক্ষ্য প্রমানে আলমগীর দোষী সাব্যস্ত হলে আদালত ওই রায় দেন। রাষ্ট্রপক্ষে মামলা পরিচালনা করেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট রহিমা আক্তার হাসি।