ডিমলা থেকে টাঙ্গাইলের রাকিবের লাশ উদ্ধার

এফএনএস (এমএমআই লিটন; ডিমলা, নীলফামারী) : | প্রকাশ: ৬ অক্টোবর, ২০২৬, ০৭:১৪ পিএম
ডিমলা থেকে টাঙ্গাইলের রাকিবের লাশ উদ্ধার

ঢাকার টাঙ্গাইলে মেডিকেল কোচিং  পড়ুয়া রাকিব হোসেন (১৬) নামে এক যুবককে হত্যার পর তার মরদেহ নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে এনে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মামুন রহমান (২৩) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে ঢাকায় ফিরে রাকিবের পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।


মঙ্গলবার  বিকেলে ঢাকার একটি তদন্তকারী দল ডিমলার ছাতনাই বালাপাড়া গ্রামে এসে মামুনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মাটিচাপা দেওয়া স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে।


স্থানীয় ও পুলিশ সুত্রে জানা যায়, প্রায় এক মাস আগে রাকিব ও মামুনের পরিচয় হয়। পরে কোনো একটি বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এর জেরে রাকিবকে(১৬ সেপ্টম্বর) হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। হত্যার পর মরদেহ গুম করার উদ্দেশ্যে মামুন রাকিবের মরদেহ তার গ্রামের বাড়ি ডিমলার ছাতনাই ইউনিয়নের বালাপাড়া গ্রামে নিয়ে আসেন। সেখানে মরদেহ মাটিচাপা দিয়ে আবার ঢাকায় ফিরে যান তিনি। পরে ঢাকায় গিয়ে রাকিবের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে কিছু টাকা নেওয়া হয় বলে জানাগেছে। এ ঘটনায় রাকিবের পরিবার থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্তে নামে।


একপর্যায়ে ঢাকার শুক্রাবাদ এলাকা থেকে মামুনকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে মামুনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ডিমলায় মরদেহ মাটিচাপা দেওয়ার বিষয়টি জানা যায়। পরে ঢাকার একটি দল ডিমলায় এসে তার দেখানো স্থান থেকে রাকিবের মরদেহ উদ্ধার করে।


এদিকে অভিযোগ রয়েছে, রাকিব জীবিত আছেন এমন ধারণা দিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভিডিও তৈরি করা হয়েছিল। ওই ভিডিও ব্যবহার করে পরিবারের কাছ থেকে মুক্তিপণ নেওয়া হয় কি না, সে বিষয়টিও তদন্তের আওতায় রয়েছে।


ডিমলা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আশরাফুল ইসলাম বলেন, মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। গ্রেপ্তার মামুনকে ঢাকার তদন্তকারী দলের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে