ইসলামপুরে শাখা ডাকঘর গুলোর বেহাল দশা

এফএনএস (এস এম এ হালিম দুলাল; জামালপুর) : | প্রকাশ: ১১ অক্টোবর, ২০২৬, ০৩:২১ পিএম
ইসলামপুরে শাখা ডাকঘর গুলোর বেহাল দশা

জামালপুরের ইসলামপুর উপজেলার বিভিন্ন শাখা ডাকঘরের বেহালদশা দেখা দিয়েছে। বর্তমানে উপজেলার বিভিন্ন শাখা ডাকঘর গুলো ঘুরে এমন চিত্র দেখাগেছে। ডাকবিভাগের দীর্ঘদিনের অব্যবস্থাপনা ও  তথ্যপ্রযুক্তি আধুনিকায়নের সাথে তালমিলিয়ে ডাকবিভাগের কার্য্যক্রম উন্নত প্রযুক্তি না করার কারণে দিন দিন ডাকবিভাগের গুরুত্বহীন হয়ে পড়েছে। যে কারণে শাখা অফিসের তেমন গুরুত্বনেই। অধিকাংশ শাখা অফিস গুলো জরাজীর্ণতার এমন চিত্র দেখাগেছে। সংস্কার ও উপযুক্ত অবকাঠামোর অভাবে উপজেলার অনেক শাখা ডাকঘরের কার্যক্রম চলছে শাখা পোস্টমাস্টারের বসতঘরে কিংবা বারান্দা ছোট কক্ষে। এতে ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক ডাকসেবা। 

 সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানাগেছে ইসলামপুর উপজেলায় মোট ১১টি শাখা ডাকঘর রয়েছে। তারমধ্যে পলবান্ধা, গঙ্গাপাড়া, পচাবহলা, মোশারফগঞ্জ, পোড়ারচর, কান্দারচর, মালমারা, গাইবান্ধা, সিরাজাবাদ, মলমগঞ্জ ও মুখশিমলা।

সরেজমিনে উপজেলার কয়েকটি শাখা ডাকঘর ঘুরে দেখা যায়, অধিকাংশ ডাকঘরে নেই উপযুক্ত কর্মপরিবেশ। বিশেষ করে পচাবহলা শাখা ডাকঘরের কোনো দৃশ্যমান নিজস্ব ভবন নেই। অনেক ডাকঘরে নেই চিঠি রাখার বাক্স ও প্রয়োজনীয় সাইন বোর্ডও।

 পচাবহলা শাখা ডাকঘরের পিয়ন মোঘল শেখ তিনি নিজের জরাজীর্ণ ঘরে ডাক সংরক্ষণ করে গ্রাহকদের মধ্যে বিতরণ করছেন। এতে একদিকে যেমন ডাক সংরক্ষণ ও বিতরণে সমস্যা হচ্ছে, অন্যদিকে সেবা নিতে আসা মানুষকেও চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয়রা বলছেন, ডাকসেবার গুরুত্ব বিবেচনায় আধুনিকায়ণ করা খুবই জরুরী। উপজেলা ডাকঘরসহ  শাখা ডাকঘরগুলোর জরাজীর্ণ অবস্থা দূর করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে দ্রুত সংস্কার, প্রয়োজনীয় স্থানে নিজস্ব ভবন নির্মাণ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য উপযুক্ত কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন তারা।

এবিষয়ে ইসলামপুর উপজেলা পোস্টমাস্টার তাশরীফ মাহমুদ বলেন, অনলাইন যোগাযোগের কারণে আগের তুলনায় ডাকঘরের ব্যবহার কমেছে। তবে সরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চিঠিপত্র ও নোটিশ এখনো ডাক বিভাগের মাধ্যমে আদান-প্রদান করা  হয়ে থাকে বলে জানান।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে