মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জামালদী এলাকায় প্রকাশ্য দিবালোকে একদল চিহ্নিত সন্ত্রাসী কর্তৃক একটি দোকান জোরপূর্বক দখল ও ব্যাপক ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগের বাদী জানান সন্ত্রাসী মো: রায়হান, শাহাবুদ্দিন, মো: রিপন, দোকান ভাঙচুর করে নতুন দোকান নির্মাণ করে এবং হুমকি দেয় তিনি আরো বলেন আমার প্রায় ৫০০০০ টাকা ক্ষতি করে। এ ঘটনায় স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জামালদী এলাকার একটি সুপ্রতিষ্ঠিত দোকানে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে একদল সন্ত্রাসী অতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা দোকানের ভেতরের আসবাবপত্র, শো-কেস এবং মালামাল ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় বাধা দিতে গেলে দোকান মালিক ও কর্মচারীদের প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে দোকানটি জোরপূর্বক নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় সন্ত্রাসীরা। ঘটনার আকস্মিকতায় আশেপাশের অন্যান্য ব্যবসায়ীরা দোকানপাট বন্ধ করে নিরাপদ দূরত্বে সরে যান।
ভুক্তভোগী দোকান মালিক জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনি সম্পূর্ণ বৈধভাবে এই স্থানে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছিলেন। কিন্তু একটি কুচক্রী ও সন্ত্রাসী মহল দীর্ঘদিন ধরে তার দোকানটি দখলের পাঁয়তারা করছিল। এরই ধারাবাহিকতায় সন্ত্রাসীরা এই ন্যাক্কারজনক হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে তার দোকান ঘরটি জবরদখল করে নেয়। এতে তার বিপুল পরিমাণের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
ব্যবসায়ীরা জানান, জামালদী এলাকার মতো একটি ব্যস্ততম বাণিজ্যিক এলাকায় এমন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ফলে তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তারা অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। এ বিষয়ে গজারিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ নকিব আকরাম হোসেন, সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ওই এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।