আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের গুনাকরকাটি গ্রামে অনৈতিক সম্পর্কের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভেঙে গেছে এক দম্পতির সংসার। গত শনিবার (১২ অক্টোবর) ভোররাতে এ ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় সূত্রে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনার পর ওই নারীকে স্বামী শরীফ তালাক দিয়েছে বলে জানাগেছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, কুল্যা গ্রামের কালিদাসের ছেলে পলাশ দাসের সঙ্গে শরীফের স্ত্রীর অবৈধ সম্পর্ক ছিল। পলাশ গুনাকরকাটি এলাকায় মিষ্টির ব্যবসার সুবাদে ওই নারীর সঙ্গে পরিচিত হয় এবং অবৈধ সম্পর্ক গড়ে ওঠে বলে অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শনিবার ভোররাতে শরীফ বাড়িতে না থাকায় তার স্ত্রীর সঙ্গে পলাশ তার বাড়িতে যায়। এ সময় শরীফের ছোট ভাইয়ের স্ত্রী বিষয়টি জানতে পেরে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জড়ো হয়। পরে পলাশকে স্থানীয়রা মারধর করে বলেও জানা গেছে। সুযোগ বুঝে পলাশ ঘটনা স্থল থেকে পালিয়ে যায়।
ঘটনার পর থেকে পলাশ আত্মগোপনে রয়েছেন বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। পরবর্তীতে স্থানীয় কয়েকজনের উদ্যোগে সালিশি বৈঠক বসে এবং বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয় বলে জানা গেছে। তবে ঘটনার পর শরীফ তাঁর স্ত্রীকে তালাক দেন বলে জানা গেছে। ওই নারী এক সন্তানের জননী। এ বিষয়ে পলাশের বাবা কালিদাস ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনা ঘটার পর একাধিক সাংবাদিকসহ বিভিন্ন মহল আমাদের দোকান এবং বাড়িতে আসছে, বিভিন্ন প্রশ্ন করছে, যে কারণে আমার ছেলে গা ঢাকা দিয়েছে।