সৈয়দপুর পৌরসভার উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল

এফএনএস (ওবায়দুল ইসলাম; সৈয়দপুর, নীলফামারী) : | প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর, ২০২৬, ০১:৫১ পিএম
সৈয়দপুর পৌরসভার উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল

নীলফামারীর সৈয়দপুর পৌরসভার বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়িত বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করে সন্তোষ প্রকাশ করেছে বিশ্বব্যাংকের প্রতিনিধি দল। গত ২৭ অক্টোবর শহরের শহিদ আমিনুল হক সড়ক ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করেন তাঁরা। এ সময় প্রকল্পের কাজের গুণগত মান ও বিভিন্ন অবকাঠামোর কৃতকাজের পরিমাপ যাচাই করে সন্তোষ প্রকাশ করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অধীনে লোকাল গভর্নমেন্ট কোভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকভারি প্রজেক্টের (এলজিসিআরআরপি) আওতায় সৈয়দপুর পৌরসভায় মোট ২৭ টি প্যাকেজে ১১২ টি রাস্তা ও ড্রেনের উন্নয়নকাজ অন্তর্ভূক্ত করা হয়েছে, যার সর্বমোট নির্মাণ ব্যয় প্রায় সাড়ে পয়ত্রিশ কোটি টাকা। ইতিমধ্যে ২৬টি প্যাকেজে ১১০টি রাস্তা ও ড্রেনের কাজ শতভাগ সু-সম্পন্ন হয়েছে। ২৭তম প্যাকেজের আওতায় রয়েছে শহীদ আমিনুল হক সড়কের ৯৩০ মিটার সড়ক ও ড্রেন নির্মাণের কাজ, যার নির্মাণ ব্যয় ১ কোটি ৩২ লক্ষ টাকা এবং ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স ডন কর্পোরেশন ও নির্মাতা কুশলী (জেভি)। পরিদর্শনকালে বিশ্বব্যাংক ও প্রকল্পের পরামর্শক দলের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন রিজিওনাল কো-অর্ডিনেটর মো.সাহিদুল ইসলাম সাচ্চু, রিজিওনাল সুপারভিশন ইঞ্জিনিয়ার মো. হায়দার আজম এবং এনভায়রনমেন্টাল ও সোশ্যাল সেফগার্ড স্পেশালিস্ট মো.আব্দুল গাফ্ফার। 

এ সময় সৈয়দপুর পৌরসভার সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল খালেক, উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মাসুম সাজ্জাদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এবং ঠিকাদারের প্রতিনিধি কামরুল হাসান কার্জন উপস্থিত  ছিলেন। পরিদর্শনকালে বিশ্বব্যাংক ও প্রকল্পের পরামর্শক দলের সদস্যরা সড়কের ডব্লিউবিএম (অভার-লে) স্তরের পুরুত্ব ও ড্রেনের গভীরতাসহ পরিমাপ এবং কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন অংশের মান পর্যবেক্ষন করেন। তাঁদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রাক্কলনে নির্ধারিত ১০০ মিলিমিটার পুরুত্বের স্থানে বাস্তবে ১০০ থেকে ১৪০ মিলিমিটার পর্যন্ত পুরুত্ব পাওয়া গেছে। একই দিনে এলজিইডি, নীলফামারীর মান নিয়ন্ত্রণ ল্যাব এর প্রকৌশলী ও ল্যাব টেকনিশিয়ানবৃন্দ উল্লেখিত সড়কটির ডব্লিউবিএম (অভার-লে) স্তরের ফিল্ড টেস্ট সম্পন্ন করেন।

প্রতিনিধি দলের সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো.হায়দার আজম বলেন,আমরা কাজ পরিদর্শন করে গুণগত মান ও পরিমাপ সঠিক পেয়ে সন্তোষ প্রকাশ করছি। আশা করি, ভবিষ্যতে সৈয়দপুর পৌরসভায় আরও উন্নয়ন প্রকল্প আসবে এবং সেগুলোও যথাযথ নিয়ম ও মান বজায় রেখে সফলতার সহিত বাস্তবায়ন করবে। এছাড়াও সৈয়দপুর পৌরসভায় বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে আরইউটিডিপি প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৫ কোটি পচাত্তর লক্ষ টাকা ব্যয়ে শেরেবাংলা সড়ক তামান্না হল মোড় থেকে ওয়াপদা পর্যন্ত ৩.৫০ কিলোমিটার এবং শহিদ জহুরুল হক সড়ক বিচালিহাটি হতে বসুনিয়াপাড়া মোড় পর্যন্ত ৩.৫০ কিলোমিটার সড়কের উন্নয়ন, ড্রেন ফুটপাত নির্মাণ এবং সড়কবাতি স্থাপনের কাজ চলমান আছে, যা বিশ্বব্যাংক ও প্রকল্পের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ এবং পৌরসভার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ নিয়মিত তদারকি করেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে