আশাশুনিতে রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ তদন্ত হয়নি, জনমনে হতাশা

এফএনএস (জি.এম. মুজিবুর রহমান; আশাশুনি, সাতক্ষীরা) : | প্রকাশ: ২ নভেম্বর, ২০২৬, ১২:১৭ পিএম
আশাশুনিতে রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ তদন্ত হয়নি, জনমনে হতাশা

আশাশুনি উপজেলা সদরের হঁাসখালী গ্রামে চলাচলের একমাত্র রাস্তা থেকে প্রায় ৫০ হাজার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হলেও কোন তদন্ত না হওয়ায় জনমনে হতাশার সৃষ্টি হয়েছে।

লিখিত অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গাইয়াখালী ব্রিজ থেকে হঁাসখালী বৈদ্যবাড়ি মোড় পর্যন্ত প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তা দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের মানুষের যাতায়াতের একমাত্র মাধ্যম হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। রাস্তাটি হেরিংবোন (ইট বিছানো) পদ্ধতিতে নির্মিত ছিল। রাস্তার প্রায় ৫০ হাজার ইট স্থানীয় ৬ নং ওয়ার্ডের সদস্য মঙ্গল চন্দ্র সরকার কিছুদিন আগে তুলে নিয়ে যান। পরবর্তীতে তিনি স্কুলের পাশদিয়ে অন্য একটি সড়কে কাজে এই ইট কাজে লাগায় এবং ইটের মূল্যসহ রাস্তায় বরাদ্দকৃত সমুদয় টাকা উত্তোলন করে নেন। গ্রামবাসী প্রতিবাদ জানাতে গেলে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। ফলে তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। গেল বর্ষা মৌসুমে রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার কারণে কাদাপানিতে চলাচল করতে গিয়ে নারী, শিশু, বৃদ্ধসহ এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হন। স্থানীয়রা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত, দায়ী ব্যক্তির বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং দ্রুত ইট তুলে নেয়া রাস্তার সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন।

গত ২৮ অক্টোবর উপজেলা আইন শৃংখলা কমিটির সভায় ইউপি সদস্যের অনিয়ম দুর্নীতির ব্যাপারে এলাকাবাসীর মার্স পিটিশনের উদ্ধৃতি দিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনের প্রস্তাব করা হলে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ব্যবস্থা নেবেন বলে সভাকে অবহিত করেন। অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধির বক্তব্য পেতে তার মোবাইলে রিং করেও পাওয়া যায়নি। অভিযোগের সত্যতা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শ্যামানন্দ কুন্ডু জানান, অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত প্রক্রিয়াধীন আছে। যেকোন সময় তদন্ত করা হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে