তালতলীতে চাঞ্চল্যকর আমির খাঁ হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

এফএনএস (মোঃ আব্দুল মোতালিব; তালতলী, বরগুনা) : | প্রকাশ: ২১ জুন, ২০২৫, ০৪:৫৪ পিএম
তালতলীতে চাঞ্চল্যকর আমির খাঁ হত্যা মামলার আসামি গ্রেফতার

বরগুনার তালতলী উপজেলার কাজীর খাল গ্রামের চাঞ্চল্যকর আমির হোসেন খাঁ হত্যা মামলার দীর্ঘ নয় মাস অতিবাহিত হওয়ার পর এক আসামিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২০ জুন) সন্ধ্যায় তার নিজ এলাকা কাজীরখাল গ্রামের চৌরাস্তা থেকে ওসমান মৃধা (৪০) নামে ওই আসামিকে আটক করা হয়। শনিবার (২১ জুন) তাকে আমতলী জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের মাধ্যমে তাকে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তবে ওই মামলার অন্যান্য আসামিরা এখনও ধরা ছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। 

মামলার বিবরণ ও বাদী পক্ষের অভিযোগে জানা যায়, কাজীরখাল গ্রামের মো. আমির হোসেন খাঁনের সঙ্গে একই গ্রামের সেকান্দার ঘরামি (৪৫) ও মৃধা গোষ্ঠীর মধ্যে নির্বাচন ও জমি-জমা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। ঘটনার দিন ২০২৪ সালের ২১ অক্টোবর সন্ধ্যায় আমির হোসেন পার্শ্ববর্তী গোলেনুরের বাড়িতে পাওনা টাকা চাইতে গেলে সেকান্দার ঘরামি, ওসমান মৃধা ও তাদের সহযোগীরা দেশি অস্ত্র, রামদা, লোহার রড ও লাঠিসোটা নিয়ে তার উপর হামলা চালায়। আমির খাঁর চিৎকারে তার স্ত্রী, মেয়ে ও ফুফাতো ভাই ইউসুফসহ স্থানীয়রা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরকেও মারধর করে। আমিরের স্ত্রীকে রামদা দিয়ে মাথায় কোপ দেয়া হয়। গুরুতর আহতদের প্রথমে তালতলী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেলে পাঠানো হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে তাদেরকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, সেখানে অন্যান্যরা পর্যায়কর্মে সুস্থ্য হলেও  ২৪ অক্টোবর দুপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আমির হোসেন খান মারা যান। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আবু বকর সিদ্দিক বাদী হয়ে তালতলী থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই সুশান্ত বিশ্বাস দীর্ঘ নয় মাসেও কোনো আসামিকে গ্রেফতার করতে না পারায় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, আমির হোসেন হত্যা মামলার আসামিদেরকে খুব শিগগিরই গ্রেফতার করা হবে। এরই ধারাবাহিকতায় ওসমান মৃধাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি তার বিরুদ্ধে বাদীপক্ষের দেয়া সকল অভিযোগ অস্বীকার করেন।

নিহতের পরিবার অভিযোগ করে, আসামিরা প্রভাবশালী হওয়ায় মামলা তুলে নিতে বারবার হুমকি দিচ্ছে। বাদী আবু বকর বলেন, “আমরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তালতলী থানায় জিডি করতে গেলে এসআই সুশান্ত বিশ্বাস জিডি করতে নিষেধ করেন।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে