কক্সবাজারের রামুতে সেনাবাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযানে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। এসময় জেসমিন সুলতানা রিয়া (২০) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে। বুধবার,৭ জানুয়ারি ভোরে রামুর গর্জনিয়া ইউনিয়নের থোয়াইংগাকাটা সামারঘোনা এলাকায় এ অভিযান চালায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও রামু থানা পুলিশ। রামু থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানিয়েছেন- গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সেনা বাহিনী ও পুলিশের যৌথ অভিযান চালানো হয়েছে। অভিযানে নুরুল আহমদের মেয়ে জেসমিন সুলতানা রিয়ার বসত ঘরে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে উদ্ধারকৃত অস্ত্র সরঞ্জাম এর মধ্যে রয়েছে, ১ট টি দেশীয় তৈরি এলজি, ২টি পুরাতন জংধরা পিস্তল, ৬টি বড় চাইনিজ রাইফেলের গুলি, ৪৯টি ছোট পিস্তলের গুলি, টি শটগানের ব্যবহৃত কার্তুজের খোসা, ১টি বড় বন্দুকের বাটের অংশ বিশেষ, ২টি লম্বা ধারালো দা, ১টি খেলনা পিস্তল, ২টি বাটন মোবাইল ও ১টি কাটার। তিনি আরও জানান, আটককৃত জেসমিন সুলতানা রিয়া প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে উদ্ধারকৃত অস্ত্রশস্ত্র কুখ্যাত ডাকাত নুরুল আবছার প্রকাশ ল্যাং আবছার এবং ডাকাত রহিম এর বলে জানিয়েছে। আটক রিয়া দীর্ঘদিন ডাকাত দলের সকল অপকর্মের সহযোগী হিসেবে কাজ করে আসছিলো। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পলাতক আসামি ডাকাত ল্যাং আবছার ও ডাকাত রহিমকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটক আসামির বিরুদ্ধে রামু থানায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান।