এদিকে মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ৪৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে এক বাণীতে বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ'র শীর্ষ নেতৃদ্বয় জাতীয়তাবাদী, প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনের মহান নেতা মশিউর রহমান যাদু মিয়ার অমলিন স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘দেশ-জাতি, গণতন্ত্রের স্বার্থে যাদু মিয়া যে ঐক্যের রাজনীতি শুরু করেছিলেন আজকের প্রেক্ষাপটেও তা অত্যান্ত প্রাসঙ্গিক। জাতীয়তাবাদী ও ঐক্যের রাজনীতিতে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর দক্ষিণ হস্ত হিসেবে যাদু মিয়ার অবদান জাতি চিরদিন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করবে।’ বুধবার (১১ মার্চ) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন। নেতৃদ্বয় বলেন, ‘মশিউর রহমান যাদু মিয়াকে বাদ দিয়ে জাতীয়তাবাদী ও গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস রচনা সম্ভব নয়। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তিনি মেধাবী ও দুরদর্শী রাজনীতিক হিসেবেই পরিচিত। আজীবন তিনি সংগ্রাম করেছেন গণমানুষের মুক্তির জন্য। দেশ পরিচালনায় একটি অর্ন্তভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই করেছেন জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত। প্রতিবাদে প্রতিরোধে ও সংগ্রামে তিনি কখনো পিছপা হননি। ’ তারা আরো বলেন, ‘দেশের এই মুহুর্তে রাষ্ট্র, দেশ ও জনগনের স্বার্থে বিভাজন নয়, প্রয়োজন ঐক্যের রাজনীতি। বৈষম্যহীণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় ঐক্যের রাজনীতির জন্যই যাদু মিয়া সংগ্রাম করেছেন। তার সেই সংগ্রামের পথ ধরেই আমাদের এগিয়ে যেতে হবে। মওলানা ভাসানী-জিয়াউর রহমান-যাদু মিয়াদের স্মরণ করতে হবে আগামী বাংলাদেশকে রক্ষার জন্যই। তাদের প্রদর্শিত পথে দেশের পতাকা-মানচিত্র রক্ষায় জাতিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’ নেতৃদ্বয় বলেন, ‘গত ১৭ বছর বাংলাদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ছিল নানা সংকট, বিভাজন ও দমন-পীড়নে চিহ্নিত। বিরোধী রাজনীতির ওপর কঠোর নজরদারি, নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার, গুম ও নির্যাতনের অভিযোগ। নতুন বাংলাদেশ এসকল অভিযোগ থেকে নিজেদের মুক্ত থাকবে বলেই জনগন প্রত্যাশা করে।’