ভালুকায় স্বতন্ত্র প্রাথীসহ বিএনপির ৩৬ নেতাকর্মীর নামে মামলা

এফএনএস (মোঃ আলমগীর হোসেন; ভালুকা, ময়মনসিংহ) : | প্রকাশ: ১৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:১৬ পিএম
ভালুকায় স্বতন্ত্র প্রাথীসহ বিএনপির ৩৬ নেতাকর্মীর নামে মামলা

ভালুকায় ঝুট ব্যবসা ও পারিবারিক কলহের জেরে পিতা পুত্রের মারামারীর ঘটনায় গুলির অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় পিতা খোকা মিয়া বাদী হয়ে জাতীয় নির্বাচনে পরাজিত সতন্ত্র প্রার্থী ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বএনপির যুগ্ম আহবায়ক ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির আহবায়ক (ভারপ্রাপ্ত) আলহাজ্ব মুহাম্মদ মুর্শেদ আলম সহ ৩৬ নেতাকর্মীর নামে ভালুকা মডেল থানায় মামলা দায়ের মামলা দায়ের করেছেন। এতে বিএনপির একাংশের নেতাকর্মীদের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। মামলা সুত্রে জানাযায়, সদ্য বহিস্কিত নেতা খোকা মিয়ার অভিযোগ করছেন তার পুত্র তোফায়েল আহাম্মেদ রানা হত্যার উদ্দেশ্যে তাকে গুলি করেছিল। এতে সে আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। এ ঘটনায় খোকা মিয়া বাদী হয়ে ভালুকা মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলার আসামীরা  হলেন উপজেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক জাতীয় নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রাথী আলহাজ্ব মুহাম্মদ মুশেদ আলম,যুগ্ম আহবায়ক শহিদুল ইসলাম,সেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রিয় কমিটির ও ভালুকা উপজেলা বিএনপির সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান মামুম সহ মুর্শেদ গ্রুপের ৩৬ নেতাকর্মী। 

 

পরিবার সুতে জানাযায় ঘটনাটি পারিবারিক খোকা মিয়ার তিন স্ত্রীর মধ্যে রানা প্রথম স্ত্রীর সন্তান। রানার মা প্রথম খোকা মিয়ার প্রথম স্ত্রী। তালাকের পর রানা ও তার ছোট বোনকে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়। এনিয়ে পিতা পুত্রে মাঝে বিরোধ চরম আকার ধারন করে। আবার ভালুকা উপজেলা বিএনপির দুই গ্রুপ এক গ্রুপের নেতা ফখর উদ্দিন আহাম্মেদ বাচ্চু অপর গ্রুপের নেতা আলহাজ্ব মুহাম্মদ মুর্শেদ আলম। রান মুর্শেদ আলম গ্রুপে রাজনীতি করে। খোকা মিয়া ফখর উদ্দিন আহাম্মেদ বাচ্চু গ্রপের রাজনীতি করে। পুত্র রানা বাড়ীর পাশে নারীশ ফ্যাক্টরীর ঝুটের ব্যবসা করতো। ফখর উদ্দিন আহাম্মেদ বাচ্চু এমপি হওয়ার পর খোকা মিয়া সন্ত্রাসী কায়দা রানাকে হত্যার হুমকি দিয়ে ব্যবসা ছিনিয়ে নেয়। ঘটনার দিন রানাসহ পরিবারে ৭-৮ লোক অফিসে বসে কথা বলছিল। এ সময় খোকা মিয়া অর্ধশতাধিক লোক নিয়ে অফিসে গিয়ে অফিস বন্ধ করতে বলে এবং রানাকে গ্রাম থেকে চলে যেতে বলে। এ নিয়ে পিতা পুত্রের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এখানে কোন গুলির ঘটনা নাই। আর যাদেরকে মামলায় আসামী করা হয়েছে তারা এখানে কেহ ছিল না এবং এঘটনার কিছুই জানেনা। আসামীরা সবাই মুর্শেদ আলম গ্রুপের নেতাকর্মী। মামলা দিয়ে এলাকা ছাড়া রাখতে পারলে খোকা মিয়া লুটপাট ও চাঁদাবাজী করতে কোন সুবিধা হবে না। পরিবারে কেহ খোকার নোংরামিকে সার্পোট করে না। খোকার মামলায় তার আপন ছোট দুই ভাইসহ তিনজন হাজতে রয়েছে। ভালুকা মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মুহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম জানান, পিতা পুত্রের মারমারি ঘটনায় খোকা মিয়া বাদী হয়ে মোর্শেদ আলম সহ ৩৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে। বাদী খোকা মিয়ার ছোট ভাই জজমিয়া,ইলিয়াস ও রবিন কে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে