গত বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানার বারুপুর এলাকায় আসামি মোহাম্মদ আলী (৩২) একজন বুদ্ধি প্রতিবন্ধি’কে কৌশলে শাড়ী তৈরীর ফ্যাক্টরিতে নিয়ে ভিকটিমের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। ধর্ষণের ঘটনা জানতে পেরে ভিকটিমের পরিবারের লোকজন তাকে চিকিৎসার জন্য সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে চিকিৎসা করান| এ ঘটনায় গত বছরের ০৫ ফেব্রুয়ারি ভিকটিমের মা সিরাজগঞ্জ জেলার এনায়েতপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করলে এনায়েতপুর থানার মামলা নং- ০২, তারিখ- ০৫/০২/২০২৫ ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৯(১) রুজু হয়| উক্ত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ধর্ষণে জড়িত আসামীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে অধিনায়ক, র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর একটি অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন| উক্ত অধিযাচনপত্রের ভিত্তিতে র্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ২৪ এপ্রিল রাতে র্যাব-১০, সদর কোম্পানি এর একটি আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় এবং র্যাব-১১ এর সহযোগিতায় নারয়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানার ভুলতা সাওঘাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে উল্লেখিত ধর্ষণ মামলার এজাহারনামীয় প্রধান আসামি মোহাম্মদ আলী (৩২), পিতা- মো: নুরু প্রামানিক, সাং- বারুপুর, থানা- এনায়েতপুর, জেলা- সিরাজগঞ্জ’কে গ্রেফতার করে। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। র্যাব-১০ এ ধরনের নৃশংস ও অমানবিক অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আসছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে র্যাব সর্বদা দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।