রাজশাহীর তানোরে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের(বিএমডিএ) একটি গভীর নলকুপ অপারেটরের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এনিয়ে স্কীমভুক্ত কৃষকদের মাঝে চরম অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে। ভুক্তভোগীরা বলছে, আওয়ামী দোসর শামসুর রহমান রাতারাতি খোলস পাল্টিয়ে জামায়াত নেতা সেজে এমপির নাম ভাঙ্গিয়ে নানা অজুহাতে কৃষকের কাছে থেকে টাকা আদায় করছে। তার এসব কর্মকাণ্ডের কারণে এমপি ও জামায়াত নিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে নেতিবাচক মনোভাবের সৃষ্টি হচ্ছে।তার ওপর জামায়াতের আদর্শিক নেতাকর্মীরাও চরম অসন্তুষ্ট হয়ে উঠেছে। এ ঘটনায় গত ৩মে স্কীমের কৃষকদের পক্ষে কাবিল কাজী বাদি হয়ে অপারেটর শামসুর রহমানের বিরুদ্ধে বিএমডিএ'র নির্বাহী প্রকৌশলী ও তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। অভিযোগে বলা হয়েছে,উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) জেল নম্বর-১৪৬ মোহর মৌজায় ১৮২ নম্বর দাগে অবস্থিত গভীর নলকুপের অপারেটর শামসুর রহমান আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান। তিনি বিভিন্ন অযুহাত দেখিয়ে কৃষকদের কাছ থেকে টাকা আদায় করেন। তিনি ঠিকভাবে কৃষকদেরকে পানি দেন না। গভীর নলকূপে ঠিক মতো তাকে পাওয়া যায় না।তিনি অন্যায়ভাবে অতিরিক্ত হারে বিঘা প্রতি ১৬০০ টাকা ধার্য করে কৃষকদের কাছ থেকে আদায় করেন।
এছাড়াও ড্রেন মেরামত,ট্রান্সফরমার মেরামত, পাহারাদার,লাইনম্যান ইত্যাদি অজুহাতে কৃষকের কাছে থেকে টাকা আদায় করছেন।কৃষক কাবিল বলেন,তার বাবার প্রায় পাঁচ বিঘা জমি আছে।তার এসব জমিতে ঠিকমতো কখানোই সেচ দেয়া হয় না।স্থানীয় কৃষকেরা সমিতির মাধ্যমে গভীর নলকুপ পরিচালনা করার দাবি করে আসছেন।কিন্ত্ত তাদের দাবি আমলে নেয়া হচ্ছে না। স্কীমের কৃষকদের দাবি তাদের মতামতের ভিত্তিতে নতুন অপারেটর নিয়োগ ও সমিতির মাধ্যমে গভীর নলকুপ পরিচালনা করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগের উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের জরুরী হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে অপারেটর শামসুর রহমান এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, বিগত ১৭ বছর কে আওয়ামী লীগ ছিলো না।তিনি বলেন, কোনো কৃষকের অভিযোগ নাই, কেউ প্রমাণ করতে পারলে তিনি স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়ে দিবেন।এবিষয়ে বিএমডিএ তানোর জোনের সহকারী প্রকৌশলী নাইমুল ইসলাম বলেন,অভিযোগ পাওয়া গেছে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।