বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় তিন কলেজ ছাত্রকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযো,বিভিন্ন গমাধ্যম ও অনলাইন পোর্টালে মিথ্যা সংবাদ প্রচারের অভিযোগে ১১ মে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
জিডিতে এস এম বাদশা অভিযোগ করেন, তার ছেলে ইব্রাহিম হাসান ফুয়াদ (২০) ঢাকার একটি স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী। সম্প্রতি সে গ্রামে বেড়াতে আসে। ৯ মে রাত সারে ১০টা বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলার রত্নপুর ইউনিয়নের দুশমী বাজার থেকে ওইবএলাকা রেজাউল করিমের ছেলে চিবলী আহম্মেদ (১৯)কে দুই পিচ ইয়াবাসহ পুলিশ গ্রফতার করেন। একই সময় একই এলাকার তিন কলেজ ছাত্র জিহাদ সরদার, ইব্রাহিম হাসান ফুয়াদ ও নাইম মোল্লাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে যায়।তাদেরকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ, পিসিপিআর যাচাই বাছাই শেষে তাদের বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ না পাওয়ায় তিনজনকেই ছেড়ে দেওয়া হয়। এ সময় পুলিশ তাদেরকাছে কোন টাকা পয়সা দাবি করেনাই বা নেয়নি। ফেসবুক পেজ ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে ইব্রাহিমসহ তিন ছাত্রকে মাদক ব্যবসায়ী হিসেবে উল্লেখ করে।অর্থের বিনিময়ে থানা থেকে ছাড়িয়ে আনা হয়েছে-এমন অভিযোগ তুলে । ওই তিন ছাত্রের পরিবার পুলিশকে অর্থদেয়ার কথা মিথ্যা, ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছে। এবিষয়ে ছাত্র নাইম মোল্লার পিতা শাহজাহান মোল্লা ও ছাত্র জিহাদ সরদার বলেন, আমাদের সাথে কেউ কোন প্রকার যোগাযোগ না করে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। এতে আমাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন ও পরিবারের মানসম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে থানায় জিডি করেছি। এ বিষয়ে আগৈলঝাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ মাসুদ খান বলেন, পুলিশকে জড়িয়ে যে সংবাদ প্রচার করা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। তিনি বলেন, আমরা মাদক নির্মূলে অঙ্গীকারবদ্ধ। মাদকের সঙ্গে কোনো আপোষ নেই। কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর নির্দোষ কাউকে হয়রানির কোনো সুযোগ নেই।ভবিষ্যতে এ ধরনের মিথ্যা প্রচার বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।