শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলো কারিনার

এফএনএস বিনোদন
| আপডেট: ১১ মে, ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম | প্রকাশ: ১১ মে, ২০২৬, ০৭:৩১ পিএম
শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলো কারিনার

সামাজিক মাধ্যমে প্রিয় মুখ, কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও তরুণ অভিনেত্রী কারিনা কায়সার এখন জীবন-মৃত্যুর মাঝামাঝি অবস্থানে রয়েছেন বলা যায়। লিভার জটিলতায় হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর এখন লাইফ সাপোর্টে তিনি। বিষয়টি জানার পর তার সুস্থতার জন্য দু-হাত তুলে প্রার্থনা করছেন তার ভক্ত থেকে শুরু করে পুরো শোবিজ অঙ্গন। এমন জটিল ও উদ্বেগজনক পরিস্থিতির মধ্যে সরকারসহ সবার কাছে সাহায্যের আবেদন করেছিলেন কারিনার বাবা জাতীয় দলের সাবেক ফুটবলার কায়সার হামিদ। তার এখন একটাই চাওয়া, মেয়েটা বাঁচুক! তাই সর্বশক্তি দিয়েই যেন চেষ্টা করে যাচ্ছেন কায়সার হামিদ। মেয়ের জন্য তার এই আপ্রাণ চেষ্টার মাঝেও নেই সুখবর। সুস্থ নয়, বরং আরও দিনে দিনে অবস্থার অবনতি ঘটছে কারিনার। যেই কারিনার হেঁটে হাসপাতালে যাওয়ার মতো অবস্থা ছিল, সেই কারিনা এখন নড়চড়ের অবস্থাতেও নেই। কারিনার এমন পরিস্থিতির খবর কায়সার হামিদের কাছ থেকে জানতে পারে ঢাকা পোস্ট। সাবেক এই ফুটবলার বলেন, নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টাতেই কারিনার চিকিৎসার ব্যবস্থা করছি। চেষ্টা করছি ভারতে নেওয়ার; ভিসা মাত্রই হাতে পেলাম। বিকেলে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স ওকে চেন্নাই থেকে নিতে আসবে। কায়সার হামিদ বলেন, এখানে হাসপাতালের অনেক টাকা বিল, পাশাপাশি এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের জন্যও অনেক টাকার প্রয়োজন। আম্মার আর আমার কিছু ফিক্সড ডিপোজিট ভেঙেছি, একটা জমি বিক্রির বায়না করেছি। এগুলো আজকের দিনের ভেতর সম্পন্ন হবে। মেয়ের এমন অবস্থায় ভেঙে পড়েছেন তার বাবা, তা বলাই বাহুল্য। সবার সর্বাত্মক সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি। গত শনিবার কারিনা কায়সারের অসুস্থতার খবর প্রকাশ্যে আসে। কারিনা দীর্ঘদিন ধরে ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভুগছিলেন। তবে যথাযথ চিকিৎসা ও ওষুধ গ্রহণে কিছুটা অবহেলা করায় হঠাৎ লিভারে ইনফেকশন দেখা দেয়। এর মধ্যে তিনি নতুন করে হেপাটাইটিস ‘এ’ ও ‘ই’ তে আক্রান্ত হন। গত শুক্রবার রাতে লিভার ফেইলিউর হলে চিকিৎসকরা তাকে দ্রুত লাইফ সাপোর্টে স্থানান্তরিত করে। এর আগে সংবাদ মাধ্যমে কায়সার হামিদ জানিয়েছিলেন, মেয়ের চিকিৎসার টাকা জোগাড় করতে তিনি নিজের জমি বিক্রির চেষ্টা করছেন, তবে সেই প্রক্রিয়ায় কিছুটা সময় লাগবে। বলেছিলেন, জানি না সরকারিভাবে কোনো সহায়তা পাব কি না। এই মুহূর্তে আমার মেয়েকে সুস্থ করে তোলাটাই আমাদের কাছে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ, তাই সবার সহায়তা এখন খুব দরকার। তবে এই মুহূর্তে মেয়ের চিকিৎসার বড় ধরণের এই ব্যয় নিজেকেই যোগাড় করতে হচ্ছে তার।