সিটি প্রশাসকের প্রতিশ্রুতিতে উঠল অবরোধ

রংপুরের শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

এফএনএস (মমিনুল ইসলাম রিপন; রংপুর) :
| আপডেট: ১১ মে, ২০২৬, ০৮:১৩ পিএম | প্রকাশ: ১১ মে, ২০২৬, ০৮:১২ পিএম
রংপুরের শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভার দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

উচ্চ আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও রংপুর জেলা মটর শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত না হওয়ার প্রতিবাদে রংপুরে মহাসড়ক অবরোধ করে শ্রমিকরা। এতে  দুই ঘন্টা ঢাকার সাথে রংপুর অঞ্চলের চার জেলার সড়ক যোগাযোগ বন্ধ থাকে। ভ্যাপসা গরমে দুর্ভোগে পড়েন যাত্রী সাধারণ। পরে সিটি প্রশাসকের  প্রতিশ্রুতিতে ২৪ ঘন্টার মধ্যে দাবী বাস্তবায়নের আশ্বাসে অবরোধ তোলেন শ্রমিকরা। 

সোমবার ( ১১ মে) সকাল ১০ টা থেকে বেলা ১২ঃ০০ টা পর্যন্ত নগরীর টার্মিনালে সড়ক অবরোধ করেন শ্রমিকরা। এ সময় ঢাকার সাথে রংপুর নীলফামারী ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ের সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়। দুই পাশে হাজার হাজার যানবাহন আটকা পরে।  অবরোধে অংশ নেয়া রংপুর জেলা মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের যুগ্ম আহবায়ক রংপুর জেলা শ্রমিক দলের আহ্বায়ক মোঃ আসাদুজ্জামান বাবু জানান, উক্ত কর্মবিরতি পালন কালীন বক্তারা বলেন, কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার পর কারণ সভা এবং নির্বাচন না হয় শ্রমিকদের অধিকার এবং সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এরিপ্রেক্ষিতে উচ্চ আদালতে একটি রিড পিটিশন দাখিল করেন শ্রমিকদের পক্ষ থেকে একজন। রিট পিটিশন এর আদেশ অনুযায়ী  বিভাগীয় শ্রম দপ্তর গত দুই মেয়ে জেলা প্রশাসকের সভাপতিত্বে সাধারণ সভার ঘোষণা দিলেও তা হয়নি। এর প্রতিবাদে ৩ মে ফারুক অবরোধ করে দশ তারিখের মধ্যে সাধারণ সভার দাবি জানাই শ্রমিকরা। কিন্তু সেই দাবি পূরণ না হওয়ায় এবং সোমবার সকালে একজন শ্রমিক নেতার নেতৃত্বে ৩-৪ জন শ্রমিককে মারধোরের প্রতিবাদে অবরোধ করা হয়। 

অবরোধের পর থেকেই সেখানে বিপুল পরিমাণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যমতায়েন করা হয়। বেলা বারোটায় সেখানে উপস্থিত হন রংপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক   মাহফুজ উম নবী ডন। বতিনি আন্দোলনরত শ্রমিকদের সাথে বৈঠক করেম এবং তো আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী জেলা প্রশাসক এর সাথে বৈঠকের মাধ্যমে সাধারণ সভার তারিখ নির্ধারণের প্রতিশ্রুতি দেন। পরে নেতৃবৃন্দ  সাধারণ সভার তারিখ নির্ধারণ ও আহত শ্রমিকদের মারামারির ঘটনায় আসামিদের গ্রেফতারের দাবিতে ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম দিয়ে রাস্তা অবরোধ তুলে নেন শ্রমিকরা। তবে শ্রমিকদের কর্মভিরতি  এবং রংপুর জেলা মটর মালিক সমিতির যাত্রীবাহী বাস চলাচল বন্ধ থাকার ঘোষণা দেয়া হয়। পরে ওকে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক করতে আরো দেড় ঘন্টারও বেশি সময় লাগে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর। ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ট হয়ে যান যাত্রীরা। তীব্র খুব প্রকাশ করতে দেখা গেছে যাত্রীদের।  আমিরুল ইসলাম নামে এক যাত্রী বলেন, যাত্রীদের জিম্মি করে দাবি আদায়ের এই কৌশল থেকে বের হয়ে আসতে হবে। শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি কেন প্রশাসন মানছে না, কারা বাধা তৈরি করছে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নিতে হবে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে