কোরবানীর পশুর চামড়ার ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার এমন মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহকারী মহাসচিব ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা আহমদ আবদুল কাইয়ূম ও সেক্রেটারী মো. আব্দুল আউয়াল মজুমদার। এক বিবৃতিতে তারা বলেন, এ বছরও কোরবানীর পশুর চামড়ার মূল্য নির্ধারণে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। সিন্ডিকেট ভাঙতে পারেনি। পুরোনো সিন্ডিকেট এখনও বহাল তবিয়তে আছে। যার কারণে বিগত বছরের দামের সাথে মিল রেখে এবারও চামড়ার মূল্য নির্ধারণ করেছে বর্তমান সরকার। তারা বলেন, কোরবানী পশুর চামড়া দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছে। অথচ গত কয়েক বছর ধরে কতিপয় অসাধু ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে চামড়া ক্রয় করে এ শিল্পকে ধ্বংস করে দিচ্ছে। গরীব এতিমদের ন্যায্য পাওনা থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। তাছাড়া কওমী মাদরাসার শিক্ষাখাতে চামড়ার ভুমিকা ব্যাপক। ন্যায্য মূল্য নির্ধারণ করতে না পারায় গরীব, এতিম শ্রেণির অনেক ক্ষতি হলো। বুধবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক যুক্ত বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, চামড়া শিল্পকে ধ্বংসে তৎপর সিন্ডিকেটকে প্রতিহত করে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সামঞ্জস্য রেখে চামড়া শিল্প বাঁচাতে এবং গরীব-এতিমদের প্রকৃত হক প্রাপ্তিতে চামড়ার ন্যায্য মূল্য নির্ধারণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। অন্যথায় গত বছরের মতো লাখ লাখ চামড়া বিনষ্ট হওয়ার মতো ঝুঁকির আশঙ্কা তৈরি হতে পারে এবং দেশের বিপুলসংখ্যক এতিম, গরিব ও নিঃস্ব মানুষ বঞ্চিত হবে। নেতৃদ্বয় আরও বলেন, পাট শিল্পকে আরো অনেক আগেই ধ্বংস করা হয়েছে বিদেশেীদের ইঙ্গিতে। চামড়া শিল্প এদেশের বিশাল একটি খাত, এ খাতকেও সিন্ডিকেট চক্র শেষ করে দিচ্ছে। তারা বর্তমান নতুন সরকারের উদ্দেশ্যে বলেন, বিএনপি সরকার বিগত ২০০১ সালে ক্ষমতায় থাকাকালীন চামড়ার দাম ছিল এরচেয়ে অনেক বেশি। অথচ ২৫ বছর পর এসে চামড়ার দাম কীভাবে কমে? জাতি জানতে চায়।