কোরবানির ঈদ ঘিরে চলছে টানা ছুটি। আর ছুটি মানে কক্সবাজার ভ্রমণ। ঈদে কক্সবাজারে লাখো পর্যটকের সমাগম হবে, এমন আশায় বুক বেঁধে আছে পর্যটন ব্যবসায়ীরা। রোদ আর বৃষ্টির মিশেলে কক্সবাজারের আবহাওয়া এখন চমৎকার। এই মৌসুমে হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁয় দাম নিয়ে নেই দুশ্চিন্তা। তবুও ঈদের আগে আশানুরূপ সাড়া নেই পর্যটকের। অন্যান্য বারে হোটেল-মোটেলের রুম শতভাগ বুকিং হয়ে গেলেও এবার সেই দৃশ্যপট নেই। তারকা মানের হোটেলগুলোতে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত ছাড় দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু তবুও বুকিং হয়েছে ৫০-৬০ শতাংশ মাত্র।
আবুল কাশেম সিকদার সভাপতি, হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল কাশেম সিকদার জানান, তারকা মানের হোটেলে আগাম বুকিং থাকলেও মাঝারি এবং ছোট রিসোর্ট ও মোটেলের অবস্থা বেশ শোচনীয়। তবে ব্যবসায়ীরা আশা করছেন ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে পর্যটক সমাগম বাড়বে। পাহাড় ও সমুদ্র, সাথে দৃষ্টিনন্দন বহু পর্যটন কেন্দ্র রয়েছে কক্সবাজারে। কিন্তু পর্যটন শিল্প বিকাশে প্রশাসনের তেমন কোন উদ্যোগ নেই। যার কারণে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন টুয়াকের এই নেতা। জেলা প্রশাসক মো: আ. মান্নান জানান, ঈদে পর্যটকদের নিরাপত্তায় সক্রিয় থাকবে বীচ কর্মী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। এ জন্য নেওয়া হয়েছে নানা পরিকল্পনা। সব মিলিয়ে ঈদুল আজহায় লাখো পর্যটকের পদচারণায় মুখর হবে কক্সবাজার। এ জন্য পর্যটক বরণে প্রস্তুত সমুদ্র শহর।