পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার পত্তাশী ইউনিয়নে এক যুবককে মারধর করে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়া এবং ভিডিও ধারণ করে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজন বকাটে যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার ২নং পত্তাশী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মো মোতালেব কাজীর ছেলে কাজী ওমর ফারুক (২০) গত শুক্রবার রাতে নিজ বাসার নিচে বসে মোবাইল ফোনে গেমস খেলছিলেন। এসময় পত্তাশী বাজারকেন্দ্রিক কয়েকজন বকাটে যুবক তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায় বলে অভিযোগ করা হয়।
অভিযুক্তদের মধ্যে সোহাগ, জুবায়ের, তারিকুলসহ আরও ৭-৮ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর দাবি, হামলাকারীরা তার সামনে সিগারেট, বোতল ও কাগজে মোড়ানো মাদকদ্রব্য রেখে ভিডিও ধারণ করে এবং তাকে মারধর করে। পরে তার কাছ থেকে একটি আইফোন ছিনিয়ে নেয়।
ওমর ফারুক অভিযোগ করেন, যাওয়ার সময় অভিযুক্তরা তাকে হুমকি দিয়ে বলে, “পরদিন সকালে ৫০ হাজার টাকা নিয়ে বাজারে আসলে ভিডিও ডিলিট করা হবে এবং মোবাইল ফোন ফেরত দেওয়া হবে।” তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত সোয়াগ। তিনি বলেন, “গতকাল রাতে ওমর ফারুক ও তার বন্ধুদের বাসার নিচে বসে মাদক সেবন করতে দেখি। তখন আমি সহ কয়েকজন গিয়ে তাদের আটক করি। আমরা পুলিশে খবর দিতে চাইলে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এসময় বিল্ডিংয়ের স্ল্যাবে লেগে ওমরের পায়ে আঘাত লাগে। আমরা তাকে কোনো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করিনি এবং কোনো টাকা দাবিও করিনি।”
সোয়াগ বলেন, “আমরা তাকে মাদক সেবনরত অবস্থায় ধরে পুলিশে দেওয়ার কথা বলি। তখন হাতাহাতির সময় সে পড়ে গিয়ে আহত হয়। আমরা তাকে মারধর করিনি। তার মোবাইল ফোন আমাদের কাছে রয়েছে, তবে কোনো টাকা দাবি করা হয়নি।” এদিকে ওমর ফারুকের মা জেসিমন আক্তার অভিযোগ করে বলেন, “আমার ছেলেকে মারধর করে রক্তাক্ত করা হয়েছে। তার আইফোন নিয়ে গেছে এবং ৫০ হাজার টাকা দাবি করছে। আমার ছেলে এখন হাসপাতালে কাতরাচ্ছে। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।” এ বিষয়ে ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মহব্বত আলী খান এর বক্তব্য জানতে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “অভিযোগের বিষয়টি আমরা জেনেছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা