গত ঈদ-উল-আযহার প্রায় এক সপ্তাহ পূর্বে ভিকটিম আব্দুল মান্নান (৩০) তার বন্ধু এবং হত্যা মামলার প্রধান আসামি মো: রাজন দেওয়ান সুমন ওরফে বাঘা (২৭) এর সাথে ব্যক্তিগত বিষয়ে কথা কাটাকাটি হয়। এরই প্রেক্ষিতে রোববার ০৭ জুন দুপুরে ভিকটিম আব্দুল মান্নান দুপুরের খাবারের উদ্দেশ্যে মীর হাজিরবাগ মেসে যাওয়ার পথে আসামি রাজন দেওয়ান সুমন’সহ অপরাপর আসামীগণকে একজন পাগলকে মারধর করতে দেখলে ভিকটিম আব্দুল মান্নান তাদের’কে নিষেধ করেন। সে সময় আসামিরা ভিকটিম আব্দুল মান্নান এর সাথে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তি শুরু করে। একপর্যায় আসামি রাজন দেওয়ান সুমন পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে ভিকটিম আব্দুল মান্নান’কে হত্যার উদ্দেশ্যে বাম পা বরাবর নিতম্বের নিচে ধারালো চাকু দিয়ে আঘাত করে মারাত্মক গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। এতে ভিকটিম মাটিতে লুটিয়ে পরে। পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজন ভিকটিম’কে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় ভিকটিমের বড় বোন বাদী হয়ে ডিএমপি, ঢাকার গেন্ডারিয়া থানায় একটি এজাহার দায়ের করলে গেন্ডারিয়া থানার মামলা নং- ০৭, তারিখ- ০৮/০৬/২০২৬ খ্রি. ধারা- ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড, ১৮৬০ রুজু হয়। মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা ঘটনার সাথে জড়িত আসামিদের সনাক্ত করে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব-১০, ঢাকা বরাবর অধিযাচনপত্র প্রেরণ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় রোববার ০৮ জুন দিবাগত রাতে র্যাব-১০ এর আভিযানিক দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ও তথ্য-প্রযুক্তির সহায়তায় ঢাকা জেলার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ এলাকা থেকে মামলার এজাহারনামীয় অন্যতম প্রধান আসামি মো: রাজন দেওয়ান সুমন ওরফে বাঘা (২৭), পিতা- মৃত মনির হোসেন, সাং- নামাপাড়া, থানা- গেন্ডারিয়া, ডিএমপি, ঢাকা’কে গ্রেফতার করে।