নীলফামারীর চড়াইখোলা ইউনিয়নের উত্তর আরাজী সরনজানি গ্রাম। এ গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রশীদ। ইতিপুর্বে তাকে ‘ইহুদী’ আখ্যা দিয়ে সামাজিকভাবে বয়কট করার অভিযোগ উঠে। কিন্তু এবার তাকে ট্যাগ দেয়া হয়েছে সে কাদিয়ানী ধর্মাবলম্বী। আর এই ট্যাগ দিয়ে তাকে ওই গ্রামের কতিপয় ব্যক্তি বাড়িতে যেতে দিচ্ছেন না। বিশেষ করে ওই গ্রামের মসজিদের ইমাম সিরাজুল ইসলাম এ কাজের সাথে জড়িয়ে পড়েন।
২১ জুন সৈয়দপুরে এসে সাংবাদিকদের কাছে আব্দুর রশীদ জানায়,তিনি ১০ দিন থেকে বাড়ি ছাড়া। ছোট ছোট সন্তানের মুখ তিনি দেখতে পারছেন না। স্ত্রীর সাথে ভালমন্দ আলাপ করতে পারছেন না। তার অপরাধ সে ইসলামী ফাউন্ডেশনের কিছু আরবী বই পড়েন। তার অর্থসহ তিনি হেফজ করেন। আর ওই বই পড়া হল তার বড় অপরাধ। তাকে কোন সময় বলা হচ্ছে ইহুদী আবার কোন সময় বলা হয় কাদিয়ানী। এ ব্যাপারে সরন জানি জামে মসজিদের ইমাম মোঃ সিরাজুল ইসলামের সাথে কথা বলতে ওই এলাকায় গেলে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মোবাইল ফোন সংগ্রহের চেষ্টা করা হলে তাও মেলেনি। ফলে মন্তব্য প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি।
পরিবারের একজন সদস্য বলেন,আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে। ভয়ে সে বাড়িতে যাচ্ছেন না। তাই আত্মীয় স্বজনের বাড়িতে বাড়িতে তিনি রাত কাটাচ্ছেন। চড়াইখোলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুম রেজা বলেন, আমি ঢাকায় যাচ্ছি বৃহস্পতিবার আসবো। এসে এ বিষয়ে কথা বলবো। নীলফামারী সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলেন, এমন কোন অভিযোগ কেউ করেননি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।