সারাদেশের মতো সিলেটেও আগামীকাল ২ জুলাই থেকে শুরু হচ্ছে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা। গত বছরের তুলনায় এবার সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে ২ হাজার ৮০১ জন। পাশাপাশি বেড়েছে পরীক্ষা কেন্দ্র ও অংশগ্রহণকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাও। সিলেট শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর বিলকিস ইয়াসমিন জানান, এবার বোর্ডের অধীনে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ৭২ হাজার ৭৪৫ জন। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৯ হাজার ৯৪৪ জন। তবে ২০২৪ সালে পরীক্ষার্থী ছিল ৮৩ হাজার ১৬৫ জন।
এবারের পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ছেলে ২৯ হাজার ২১৭ জন এবং মেয়ে ৪৩ হাজার ৫২৮ জন। মোট ৯৬টি কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে, যা গত বছরের ৮৮টি কেন্দ্রের তুলনায় ৮টি বেশি। এছাড়া গত বছর ৩২২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরীক্ষায় অংশ নিলেও এবার অংশ নিচ্ছে ৩৩৬টি প্রতিষ্ঠান। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, সিলেট জেলার ১৫৫টি প্রতিষ্ঠানের ৩১ হাজার ২১৫ জন, মৌলভীবাজারের ৫৩টি প্রতিষ্ঠানের ১৪ হাজার ৭৩৯ জন, সুনামগঞ্জের ৭৩টি প্রতিষ্ঠানের ১৩ হাজার ৮৭০ জন এবং হবিগঞ্জের ৫৫টি প্রতিষ্ঠানের ১২ হাজার ৯২১ জন পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে নিয়মিত পরীক্ষার্থী ৫২ হাজার ৫৪০ জন, অনিয়মিত ১৯ হাজার ৮৬৭ জন, প্রাইভেট পরীক্ষার্থী ৪০ জন এবং মানোন্নয়ন পরীক্ষার্থী ২৯৮ জন। সিলেট শিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুন্দর ও সম্পূর্ণ নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করতে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। পর্যাপ্ত সংখ্যক ভিজিল্যান্স টিম গঠন করা হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা শুরুর অন্তত ৩০ মিনিট আগে কেন্দ্রে প্রবেশের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এদিকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করতে গণবিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশ (এসএমপি)। এসএমপি কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আগামী ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত সিলেট মহানগরীর ২৫টি কেন্দ্রে এইচএসসি, এইচএসসি (ভোকেশনাল/বিএম-বিএমটি) ও আলিম পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পরীক্ষা চলাকালে কেন্দ্রের ২০০ গজ এলাকায় পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগে থেকে পরীক্ষা শেষ হওয়ার এক ঘণ্টা পর পর্যন্ত বিশেষ নিরাপত্তা ও নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে, যাতে পরীক্ষা শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা যায়।