দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ষ্টার ২নং গেট চ্যাটার্জি বাজারের ঔষধ ব্যবসায়ী আরমান ফার্মেসীর স্বত্ত্বাধিকারী ফার্মাসিস্ট মোঃ রফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভুল ঔষধ বিক্রয় করে আসছেন। এ ধরণের ভুল ঔষধ সেবনে স্বাভাবিক মানুষ অনেক সময় অসুস্থ হয়ে পড়ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। উল্লেখ্য অতি সম্প্রতি স্টার ২ নং গেট এলাকার বাসিন্দা এ্যাড. মোঃ মোশারফ হোসেনকে ডায়াবেটিসের ঔষধ ষরসঢ়বঃ ২ এর পরিবর্তে ঘুমের ঔষধ ঘড়াড়ঃৎরষ দেয়। যা খেয়ে মোশারফ হোসেন মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়েন। তিনি অসুস্থ অবস্থায় প্রথমে প্রাথমিক চিকিৎসা গ্রহণ করেও যখন শরীর স্বাভাবিক অবস্থায় না আসে তখন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসার ডাঃ মোঃ মাহবুবুল আলমের পরামর্শে (পূর্বে একবার মিনি ব্রেইন স্ট্রোক থাকায়) ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করেন। সেখানে মেডিকেল অফিসার শরীরের অবস্থা স্বাভাবিক মনে করে শুধুমাত্র ডায়াবেটিস বৃদ্ধি পাওয়ায় ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ দেখানোর পরামর্শ প্রদান করে বাড়িতে রেস্ট নিতে বলেন। বাড়িতে ফিরে যখন আবারও তার শরীরিক অবস্থার অবনতি হয় তখন তার স্বজনরা প্রাথমিক চিকিৎসক ডাকেন এবং তিনি সকালের খাওয়া ডায়াবেটিসের ঔষধ দেখতে চান। ঔষধ দেখে নিশ্চিত করেন যে তাকে ডায়াবেটিসের জন্য যে ঔষুধ দেওয়া হয়েছে সেটা ঘুমের ঔষধ। এ ঘটনা জানাজানি হলে ফার্মাসিস্ট রফিকুল ইসলামের প্রতি লোকজনের তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। বিষয়টি জানাজানির একপর্যায়ে ঔষধ ব্যবসায়ী রফিকের বিরুদ্ধে মেয়াদোত্তীর্ণ এবং ভুল ঔষধ বিক্রয়ের একাধিক অভিযোগ পাওয়া যায় যা সমাজের মানুষের জন্য খুবই অকল্যাণকর।
উল্লেখ্য গত সোমবার (৬ জুলাই) রাত ১০টায় এ্যাড. মোশারফ হোসেনের পুত্র আবিদ আজাদের কাছে ফার্মাসিস্ট রফিকুল ইসলাম ডায়াবেটিসের ঔষধ ষরসঢ়বঃ ২ না থাকায় তার পরিবর্তে বিকল্প ঔষধ হিসাবে ঘড়াড়ঃৎরষ বিক্রয় করে। ভুক্তভোগী পরিবার এব্যাপারে খুবই উদ্বীগ্ন। এলাকাবাসী ঔষধ ব্যবসায়ীর কঠিন শাস্তি দাবি করেন। পরবর্তীতে ঔষধ ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম বিষয়টির ভুল স্বীকার করেন এবং এ ধরনের কাজ আর হবে না বলে লোকজনকে জানিয়েছেন।