আশাশুনি উপজেলার কুল্যা ইউনিয়নের তফিল মালীর বাড়ি হতে হিমখালী পর্যন্ত খননকৃত খালের খনন কাজ সস্পন্ন করা ও খুল উন্মুক্ত রাখার দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকালে কাদাকাটি হাজীরহাটে ইউনিয়নের ৫নং ওয়ার্ডের সর্বস্তরের জনসাধারণ এ মানববন্ধনের আয়োজন করে।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, কুল্যা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন আঙ্গুর, ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আলহাজ্ব এখলাছুর রহমান, মেম্বার বসির আহমেদ টুকু, সাবেক মেম্বার কাজল মালী, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি নেহাল উদ্দীন মালী প্রমুখ। বক্তাগণ বলেন, খালটি প্রায় দেড় কিঃমিঃ। খাল খনন কাজে এলাকাবাসী সন্তুষ্ট নয়। খনন কাজ সম্পন্ন করা হয়নি। তারপরও খালে মাটির বাঁধ ও নেটপাটা দেওয়ায় পানি নিস্কাশনে সমস্যা হচ্ছে। খাল উন্মুক্ত না করায় প্রতি বছর এলাকাবাসী সীমাহীন দুর্গতির শিকার হয়ে থাকে। এবছর দুর্গতি শুরু হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে এলাকার শতাধিক পরিবার নাকানি চুপানিতে পড়বে। ৩/৪ শত বিঘা জমির আমন ধান, ৫০০ বিঘা জমির মৎস্য ঘের ক্ষতিগ্রস্থ হবে। দুটি বিদ্যালয় ও একটি মাদ্রাসা পানি বন্ধী হয়ে পড়বে। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিপাতে অনেক এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মাঠ, পথঘাট তলিয়ে গেছে। এলাকাবাসীর দাবী দ্রুত বাঁধ কেটে খাল উন্মুক্ত করা হোক। উন্মুক্ত করা হলে, জলাবদ্ধতা হ্রাস পাবে, বৃষ্টি ও জোয়ারের পানি নিষ্কাশিত জবে, কৃষি উৎপাদন বেড়ে যাবে, মৎস্য সম্পদ উন্নয়ন ও জীব বৈচিত্র সংরক্ষণে সহায়ক হবে, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও জন দুর্ভোগ লাঘব হবে। একই সাথে হিমখালী থেকে কাটাখালী মেইন খাল খনন ও উন্মুক্ত করার জন্য দাবী জানান হয়।বক্তাগণ সাথে সাথে খাল খনন প্রকল্পের কাজ তদন্ত, বরাদ্দ ও ব্যয় সংক্রান্ত তথ্য যাচাই, অনিয়ম দুর্নীতি প্রমানিত হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া ও অসম্পন্ন কাজ সম্পন্ন করার জন্য জোর দাবী জানান। এব্যাপারে জেলা প্রশাসক বরাবর এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে প্রতিকার চেয়ে আবেদন করা হয়েছে। ইউএনও বরাবর স্মারক লিপি পেশ করা হয়েছে।