টানা বৃষ্টিতে বন্যা, আর বন্যায় সৃষ্টি হয় দুর্ভোগ। এতে কক্সবাজার আসা বন্ধ পর্যটকদের। আর পর্যটক শূন্য মানে ভাল নেই পর্যটন শিল্প। বর্ষায় কক্সবাজারের রূপ থাকে অন্যরূপ। বৃষ্টি ও মেঘলা আকাশে সৃষ্টি হয় হয় অন্যরকম ভালা লাগা। যা উপভোগ করতে বর্ষা মৌসুমেও ছুটে আসে অসংখ্য পর্যটক। কিন্তু কয়েকদিন আগে ৯ দিনের টানা বর্ষণে পাল্টে যায় সব চিত্র। তবুও যাঁরা ছিলেন উত্তাল সমুদ্র দর্শনে মোহিত হয়েছে তারা।
পর্যটকের উপস্থিতি কমে যাওয়ায় ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে হোটেল-রিসোর্ট মালিকরা পড়েছেন চরম আর্থিক সংকটে। সৃষ্ট এই সংকটে কক্সবাজারের পর্যটন খাতে প্রায় শত কোটি টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানান সায়মন বীচ রিসোর্টের ফ্রন্ট অফিস এসিস্ট্যান্ট সঞ্জয় রয়। হোটেল মোটেল গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, বৈরী আবহাওয়ায় কক্সবাজারে পর্যটকের আগমন আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে হোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁ, পরিবহন, সৈকতকেন্দ্রিক ক্ষুদ্র ব্যবসাসহ পুরো পর্যটন শিল্পে।
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আবহাওয়ার উন্নতি না হলে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়বে। এতে পর্যটননির্ভর হাজারো ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, শ্রমিক ও সেবাখাতের কর্মীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।