লক্ষ্ণীপুরের রামগতিতে মর্টার শেল সদৃশ্য বিষ্ফোরক বস্তু তিনটি শক্তিশালী এক ধরণের গ্রেনেট জাতীয় বিষ্ফোরক বলে সনাক্ত করেছে বাংলাদেশ পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) দলের বোম্ব নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট। বৃহস্পতিবার দুপুর আড়াইটার দিকে নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থলে গিয়ে এসব গ্রেনেট উদ্ধার করে। পরে উপজেলা সদর আলেকজান্ডার সেবাগ্রাম ফজলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় পাশে রাখা একটি বালির স্তুপে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই গ্রেনেট গুলো সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়। সিটিটিসি দলের বোম্ব নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের আসা ৫ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল এই নিষ্ক্রিয় কার্যক্রম পরিচালনা করে। এসময় রামগতি থানার ওসিসহ পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বিষ্ফোরকগুলো বিস্ফোরণের সময় এলাকায় বিকট শব্দের সৃষ্টি হলেও পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।
এর আগে, বুধবার সকাল সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলা সদর আলেকজান্ডার আ স ম আবদুর রব সরকারি কলেজ এলাকায় রামগতি পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের তাজল ওসি সড়কে পাশে পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইন মেরামত করতে গিয়ে খোড়াখুড়ি সময় ওই মর্টার সেল সদৃশ্য বিস্ফোরক বস্তু তিনটি দেখতে পায়। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলটি লাল ফিতা দিয়ে ঘেরাও করে রাখে। ঘটনাস্থলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ পাহারায় ওই সড়কে যানবাহন ও সাধারনের চলাচলা বন্ধ করে দেয় এবং ঢাকায় বোম্ব ডিস্পোজাল টিমকে বার্তা প্রেরণ করা হয়।
রামগতি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকতা (ওসি) লিটন দেওয়ান জানান, বাংলাদেশ পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) দলের বোম্ব নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের ৫ সদস্যের একটি বিশেষজ্ঞ দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। বিষ্ফোরক বস্তু তিনটি শক্তিশালী এক ধরণের গ্রেনেট জাতীয় বিষ্ফোরক বলে সনাক্ত করে বিশেষজ্ঞ দল। পরে এগুলো উদ্ধার করে সেবাগ্রাম ফজলুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় পাশে রাখা একটি বালির স্তুপে নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে এই গ্রেনেট গুলো সফলভাবে নিষ্ক্রিয় করা হয়। বিষ্ফোরকগুলো বিস্ফোরণের সময় এলাকায় বিকট শব্দের সৃষ্টি হলেও পুলিশের কড়া নিরাপত্তায় কোনো ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি। বিশেষজ্ঞ দলের বরাত দিয়ে ওসি লিটন দেওয়ান আরও জানান, বিষ্ফোরক বস্তু তিনটি শক্তিশালী এক ধরণের গ্রেনেট জাতীয় বিষ্ফোরক বলে বিশেষজ্ঞ দল তাকে জানান। এসব বিষ্ফোরক গুলো অবিস্ফোরিত গ্রেনেট জাতীয় এবং ২শ বছর পর্যন্ত এগুলো অবিস্ফোরিত থাকে।