আশাশুনিতে জমি দখল, দোকানঘর ভাঙচুর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) দুপুরে আশাশুনি প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মিজানুর রহমান গাজী এসব অভিযোগ করেন।
লিখিত বক্তব্যে উপজেলার বুধহাটা ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামের মৃত ইমান আলী গাজীর ছেলে মিজানুর রহমান বলেন, বুধহাটা গ্রামের মৃত তোফাজ্জেল হোসেনের ছেলে মোতাহার হোসেনের কাছ থেকে ২০২০ সালে বিভিন্ন দলিলের মাধ্যমে তিনি জমি ক্রয় করেন। পরবর্তীতে ওই জমি নামজারি করে নিয়মিত খাজনা পরিশোধসহ শান্তিপূর্ণভাবে ভোগদখল করে আসছেন। জমির কাগজপত্র সঠিক থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় চাঁদাবাজ আব্দুল হাই ও তার সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে তার জমি ও দোকানঘর দখলের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮ সেপ্টেম্বর রাত ১.৩০ টার দিকে তার দোকানঘর ভাঙচুর করা হয়। খবর পেয়ে তিনি ৯৯৯ নম্বরে ফোন করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আব্দুল হাই ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। পরদিন তিনি মিস্ত্রির মাধ্যমে দোকানঘর পুনরায় নির্মাণের কাজ শুরু করলে আব্দুল হাই দ্বিতীয় দফায় লোকজন নিয়ে এসে গায়ের জোরে দোকানঘর ভাঙচুর করেন। পরবর্তীতে ৪ অক্টোবর সকালে আব্দুল হাই ও তার সহযোগীরা আবারও তার দোকানঘরে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করা হয়। একই দিন সন্ধ্যায় বাজারের একপাশে ডেকে নিয়ে তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। টাকা না দিলে তার জমি ও দোকানঘর দখল করে নেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এছাড়া তাকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলেও সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, জমি ক্রয় ও ভোগদখলের যাবতীয় বৈধ কাগজপত্র তার রয়েছে।এরপরও একটি পক্ষ পরিকল্পিতভাবে তাকে হয়রানি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করছে। তিনি প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, অভিযুক্তদের অব্যাহত হুমকি ও ভাঙচুরের কারণে আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। আমার বৈধ জমি ও দোকানঘর রক্ষায় প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ প্রয়োজন। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি। সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল হাই বা তার সহযোগীদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।