আজ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম, ৩০ লক্ষ শহীদের আত্মত্যাগ এবং ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে আমাদের এই প্রিয় বাংলাদেশ। আজকের এই ঐতিহাসিক দিনে বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি)-র পক্ষ থেকে আমরা দেশবাসী এবং বিশ্বের সকল প্রান্তে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মুক্তির লাল সালাম।
শ্রদ্ধা ও স্মরণ : বিএমজেপি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে স্বাধীনতার মহান স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে। একই সাথে স্মরণ করছে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানকে। আমরা বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই সেইসব অকুতোভয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও বিহঙ্গনাদের প্রতি, যাঁদের অসীম সাহসিকতায় আমরা পেয়েছি একটি স্বাধীন ভূখণ্ড, একটি মানচিত্র এবং লাল-সবুজের পতাকা। শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছি মুক্তিযুদ্ধে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যে সকল বীর সন্তান প্রাণ বিসর্জন দিয়েছেন।
আমাদের অঙ্গীকার: স্বাধীনতার মূল চেতনা ছিল-সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার। বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি বিশ্বাস করে, একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র গঠনের মাধ্যমেই শহীদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন সম্ভব।
এই দিনে আমাদের আহ্বান:
অসাম্প্রদায়িক চেতনায় সম্প্রীতির বন্ধনে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
সংখ্যালঘু সুরক্ষা: ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের জান-মাল এবং উপাসনালয়ের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত চেতনাকে সমুন্নত রাখতে হবে।
বৈষম্যহীন সমাজ: সকল স্তরে বৈষম্য দূর করে একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ার শপথ নিতে হবে। আসুন, দল-মত ও সংকীর্ণতার উর্ধ্বে উঠে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে একটি সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলি। আজকের এই দিনে বিএমজেপি দেশের প্রতিটি নাগরিকের সুখ, সমৃদ্ধি এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করছে। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক। শুভেচ্ছান্তে-আর কে মন্ডল (রবিন), কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি : বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি- বিএমজেপি।