পিরোজপুরের কাউখালীতে কৃষিজমিতে সেচ সুবিধা বৃদ্ধি এবং জলাবদ্ধতা নিরসনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি’র) বাস্তবায়নে খাল পুনঃখনন কাজের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) সকাল সাড়ে নয়টার পিরোজপুর-২ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য ও গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আহমেদ সোহেল মঞ্জুর প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উন্নয়নমূলক কাজের উদ্বোধন করেন।
উল্লেখ্য উপজেলার সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়নের জব্দকাঠি মৌজার গোপালপুর খাল সীমানার হাওলাদার বাড়ি হতে মধ্যমাঠ পর্যন্ত ও হোগলা মৌজার নাসির উদ্দিনের বাড়ি হইতে দিলু মেম্বারের জমি পর্যন্ত। উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ এই খালগুলো দীর্ঘদিন ধরে পলি জমে ভরাট হয়ে থাকায় স্থানীয় কৃষকরা চাষাবাদে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছিলেন। পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় খালের নাব্যতা ফিরিয়ে আনা হবে, যা এলাকার কৃষি অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে খাল খনন কাজে অংশগ্রহণ করেন, কাউখালী উপজেলা বিএনপি'র সভাপতি সাবেক উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এস,এম আহসান কবির। এ সময় খাল কাটা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন, কাউখালী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মনিরুজ্জামান মিঞা, উপজেলা বিএনপি'র সাবেক যুগ্ন আহবায়ক বদরুদ্দোজা মিয়া, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক লিয়াকত হোসেন তালুকদার, উপজেলা বিএনপি'র সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক জাহিদুর রহমান ফিরোজ, সয়না রঘুনাথপুর ইউনিয়ন বিএনপি'র সভাপতি নজরুল ইসলাম তালুকদার, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি মোহাম্মদ মঈন, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আল মাহমুদ সুমন সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএডিসির ইঞ্জিনিয়ার, ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে এর মাধ্যমে মাননীয় সংসদ সদস্য আহমেদ সোহেল মঞ্জুর বলেন,
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা দেশকে উন্নয়নের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাব। খাল পুনঃখনন তারই অংশ। পিরোজপুর-২ আসনের প্রতিটি মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে আমরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছি। এই খালটি খনন করা হলে কয়েকশ একর জমি চাষাবাদের আওতায় আসবে এবং বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাবে অত্র এলাকার সাধারণ মানুষ।
দীর্ঘদিন পর খালটি পুনঃখনন শুরু হওয়ায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। এলাকার কৃষকরা জানান, খালের গভীরতা বাড়লে তারা শুষ্ক মৌসুমে পানি ধরে রেখে বোরোসহ রবিশস্য চাষে ব্যাপক সুবিধা পাবেন।
কাজের গুণগত মান নিশ্চিত করতে সংসদ সদস্য স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কড়া নজরদারি করার নির্দেশ প্রদান করেছেন।