চাঁদপুরের চরাঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় এ বছর বাঙ্গির বাম্পার ফলন হয়েছে, যা চাষিদের মুখে হাসি ফুটিয়েছে। হাইমচরের নয়ানী লক্ষ্ণীপুর, কাটাখালী,চাঁদপুর সদরের চান্দ্রা বাখরপুর, বাংলাবাজার,সাদুল্লাহপুরসহ মতলবের বিভিন্ন স্থানে বাঙ্গি বা ফুটের বেশ আবাদ হয়। এবছর অনুকূল আবহাওয়া উৎপাদন ভালো হয়েছে। এতে খুশি চাষীরা। আশেপাশের বাজারের চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হচ্ছে এই সুস্বাদু বাঙ্গি।হেক্টর প্রতি ফলন ভালো হওয়ায় গত বছরের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চায় তারা। সরজমিন হাইমচর ও চাঁদপুর সদরের বাখরপুর- বাংলাবাজার গিয়ে দেখা যায়, সবুজ-হলুদ রঙে সেজেছে বাঙ্গির ক্ষেত। শরীর ঠান্ডা রাখতে তরমুজের পর বাঙ্গির স্থান রয়েছে। বাঙ্গি গাছ দেখতে লতার মত। এ ফল পাকলে হলুদ রঙ ধারণ করে। ফলন ও বাজার দরে খুশি চাষীরা। এবার বাঙ্গি ফলের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় বাঙ্গি চাষী ও ব্যবসায়ী নুরুল ইসলামসহ অন্য কৃষক। গত মৌসুমে মেঘনায় অনাকাঙ্ক্ষিত জোয়ারে ক্ষতি সাধন হয়। তবে এবছর ভাল ফলন হওয়ায় ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চায় তারা। চলতি বছরে হাইমচর উপজেলায় প্রায় ৪০ হেক্টর জমিতে বাঙ্গি চাষ হয়েছে। প্রতি হেক্টরে ২৩/২৪ মে. টন বাঙ্গি উৎপাদন হচ্ছে। চাঁদপুর জেলার হাইমচর উপজেলার বাংলা বাজার পশ্চিম দিকে দিগন্ত জোড়া মাঠে বাঙ্গি আর বাঙ্গি। বিশেজ্ঞদের মতে বাঙ্গি টক, মিষ্টি না হলেও খেতে অনেক সুস্বাদু। বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে শর্করা, খনিজ, মিনারেল, ভিটামিন-এ এবং সি। এছাড়া সুগার কম থাকায় ডায়বেটিকস রোগীদের জন্য এ ফল গুরুত্বপূর্ণ। ২০-৩০ টাকা থেকে শুরু করে ৭০-৮০ টাকায় ছোট সাইজের বাঙ্গি আর মাঝারি ও বড় সাইজেরটা এক থেকে দেড়'শ এবং আকার ভেদে দুই আড়াইশ, তিনশ টাকা পর্যন্ত একটা হুট বা বাঙ্গি বিক্রি হচ্ছে। বাম্পার ফলনে সাধারণ মানুষ রসালো এই ফলটি কিনতে পাচ্ছে। চাঁদপুর বাংলা বাজারের হুট বা বাঙ্গির বেশ সুনাম রয়েছে।