চাঁদপুর সদর উপজেলা ১০নং লক্ষ্ণীপুর ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রাতের আঁধারে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ গুলো ধ্বংস করেছে একটি চক্র। ৫ই'এপ্রিল রবিবার দিবাগত রাত ইউনিয়নের পশ্চিম রামদাসদী দোকানঘর সংলগ্ন গুচ্ছ গ্রামের সাথে থাকা পুকুরটিত বিষ প্রয়োগ করে ২০ লক্ষাধিক টাকার মাছ মরে ভেসে উঠে। ৮নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক ও ভুক্তভোগী মো. সুমন খান বলেন- শত্রুতা থাকলে আমার সাথে আছে। কিন্তু মাছের সাথে এ কেমন শত্রুতা। যে তরতাজা মাছের জীবন গুলো ধ্বংস করছে 'দুনিয়াতেই আল্লাহ এর বিচার করে দেখাবে। এসময় ভুক্তভোগী সুমন খান আরো বলেন- প্রতিদিনের মত ঘটনার দিন রাত ৯/ ১০ টায় পুকুর পাড়ে যাই মাছ দেখতে। হঠাৎ গিয়ে দেখী মাছ গুলো হঠাৎ ধপায়তেছে। পুকুরের আশে পাশে ছোট বড় কয়েক হাজার মাছ মরে ভেসে উঠে।আমি ডাকচিৎকার দিলে বাজারের ব্যবসায়ী সহ স্থানীয় শত শত মহিলা পুরুষ এসে দেখে আমার পুকুরের মাছ সব মরে যাচ্ছে দেখতে পান। শত্রু আছে' আমার সাথে আছে । কিন্তু মাছের সাথে কেনো। মাছগুলো তোদের কী ক্ষতি করলো, তোরা এভাবে বিষ প্রয়োগ করে মাছ গুলো মেরে পেললি। সুমন খান আরো বলেন, আমার সাথে আরো দু'জন মাছ চাষে শেয়ার আছ। তারা সহ'ই বিভিন্ন এনজিও সংস্থা থেকে ঋন ও ধার দেনা করে পুকুরে মাছ চাষ করি। যখন মাছ চাষ করবো,তখন আমার নিকটতম কয়েক জন কে মাছ চাষের জন্য বললে' তারা না করে দেন। তারা চাই আমার টাকার উপর খরচ বহন করে তারা মাছ চাষে যুক্ত থাকতে। টাকা ব্যায় ছাড়া ব্যবসা করা যায়না। তখন আমি তাদের কে বলি এই পুকুরটি প্রায় ২ একরের কাছাকাছি। এত বড় পুকুরে মাছ চাষ করতে হলে লাখ লাখ টাকা প্রয়োজন আছে। তখন তারা মোটা অংকের টাকা লাগবে বলে তারা আর মাছ চাষে জড়িত নাই। তাই এলাকারই দু'জন কে সাথে নিয়ে- আমরা ৩ জন মাছ চাষে উদ্বুদ্ধ হই। আজ এক বছর হলো মাছ চাষ করে আসছি। ঐ লোক গুলোই তখন থেকেই বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে ঘুরে বলে বেড়ায়। আমরাও মাছ চাষ করবো না। সুমন খান কেও মাছ চাষ করতে দিবো না। তাই আমার মনের ধারননুযায়ী তারাই এই পরিকল্পিত ভাবেই ঘটনার দিন পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে মাছ গুলো মেরে পেলে। তবে মাছ গুলো মারার জন্য,আমার ধারনা তারা আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়েছিলো।তাই ঐদিন সুযোগকে কাজ লাগিয়ে ছিলো। দূরের কেউ না,আমার কাছের শত্রু পক্ষরাই এঘটনা ঘটাইছে। সুমন খান আরো জানান -পুকুরে রুই, তেলাপিয়া, কার্প,কালীবাহুস, আইড়,ব্রিগেট, গুইলশা ট্যাংরা সহ প্রায় বহু প্রজাতির মাছ ছেড়েছি। এবং সে চাষ কৃত মাছগুলো ডিম ও ছেড়েছে। পোনা গুলোও বিষ খেয়ে মরে ভেসে উঠে। একেকটা মাছ দেড় থেকে ২ কেজীর ওজনে হচ্ছিল।আমার সব শেষ, লাখ লাখ টাকা ঋন করে মাছ চাষ করতে করে আসছি। এখন তো আমি ঋন গ্রস্থ হয়ে নিঃস্ব হয়ে গেলাম। আমি প্রশাসন ও স্থানীয় সচেতন মহলের কাছে দাবী,আমাদের এ ক্ষতি পুষতে সকলের কাছে সহযোগিতা চেয়ে সুষ্ঠ তদন্তদের মাধ্যমে অপরাধীদের কে বিচারের আওতায় আনা এনে আমরা পুনরায় মাছ চাষ করতে চাই। এবিষয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।