কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলাসহ ১১টি ইউনিয়নের সাড়ে ৩ লাখ জনগণের বিপিডিপি ও আরইবি বর্তমানে বিদ্যুৎ লোড শেডিং হচ্ছে ১৬ ঘন্টা। দুটি বিভাগেই গড়ে ৮ ঘন্টা করে গ্রাহকরা বিদ্যুৎ পাচ্ছেন। বিদ্যুৎ না পেয়েও বিপিডিপি ও আরইবি বিদ্যুৎ গ্রাহকদের ভৌতিক বিলসহ বিল দিতে হচ্ছে উচ্চ হারে। দিন থেকে রাত পর্যন্ত ৫০-৬০ বার বিদ্যুৎ উঠানামা করে বলে গ্রাহকদের অভিযোগ। এ লোড শেডিং এর কারণে এসএসসি পরীক্ষার্থী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের লেখাপড়া একেবারে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বাজিতপুর বিপিডিপির সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, তাদের গড়ে ১৪-১৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পাওয়ার কথা থাকলেও কোনো দিন ৪ মেগাওয়াট কোনোদিন ৫ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ পেয়ে থাকেন। ৩০-৪০% দিনের বেলায় বিদ্যুৎ লোড শেডিং করতে হয়। বাজিতপুর ৬টি ফিডার রয়েছে। আজ রবিবার সকালে এক দল সাংবাদিক সরারচর বিদ্যুৎ অফিসে গেলে কর্তৃপক্ষ জানান, সরারচর প্রায় সময়ই বিদ্যুৎ থাকে। কিন্তু সরারচর বাদ দিয়ে পৌরসভাসহ ১০টি ইউনিয়নে বিদ্যুৎ লোড শেডিং নাকি দিতে হয় বলে অনেক গ্রাহকের অভিযোগ। বাজিতপুর বিপিডিপির বিক্রয় ও বিতরণ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ শাহআলম কমল জানান, কবে বিদ্যুৎ লোড শেডিং কমে তা তিনি জানেন না। সেটা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বলতে পারবে বলে উল্লেখ করেন।