বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার কলিগাতী দক্ষিণ পাড়া বিলে রক্সি-১ হাইব্রিড ধান কাটার উৎসব ও “মাঠ দিবস” ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাম্পার ফলন, রোগ-বালাই কম হওয়া এবং সু স্বাদু চালের কারনে নতুন এ ধানের জাতটি কৃষকের মাঝে ব্যপক শাড়া ফেলেছে। ব্লেসিং এগ্রোভেট কোম্পানীর বাজারজাত করা রক্সি-১ হাইব্রিড ধান ইতোমধ্যে কৃষকের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে। এগ্রোভেট কোম্পানীর হেড অব বিজনেস, কৃষি বিদ ড. গোলাম মাবুদ জানান, রক্সি হাইব্রিড ধান প্রতি শতাংশ জমিতে একমন করে ফলন পাওয়া যাচ্ছে। যা কৃষকে মাঝে আশার সঞ্চার করছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) বিকাল সাড়ে তিনটায় উপজেলার কলিগাতী দক্ষিণ পাড়া “মাঠ দিবসে” কৃষক ফজর শেখ বলেন, তিনি ২ একর ৫০ শতক জমিতে রক্সি হাইব্রিড ধান লাগিয়েছেন যে মাত্রায় ধান ফলেছে তাতে তিনি বেজয় খুশি।
কৃষক এজাবুর মোল্লা বলেন, তিনি ৫একর জমিতে রক্সি হাইব্রিড-১ জাতের ধান লাগিয়েছেন, প্রতি শতাংশে ১মনের বেশী ফলন হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। স্থানীয় রফিক শেখ বলেন তিনি ৪ একর জমিতে ধান লাগিয়েছেন, ধানের ফলন ভাল হওয়ায় আগামীতে বেশী জমি আবাদ করতে তিনি আগ্রহী। কোম্পানীর হেড অব বিজনেস, কৃষি বিদ ড. গোলাম মাবুদ, সিনিয়র সেলস ম্যানেজার মো: শহীদুল ইসলাম এবং এরিয়া ম্যানেজার বাগেরহাট, মো: জামাল হোসেন মোল্লা পৃথক ভাবে বলেন, কৃষকের লাভ নিশ্চিত করতে উন্নতমানের ও অধীক ফলনশীল ধানের জাত নিয়ে কাজ করছে ব্লেসিং এগ্রোভেট। রক্সি-১ হাইব্রিড ধান মাঠ পর্যায়ে অসাধারণ ফলন দিয়েছে। আগামিতে আরো নতুন ও উন্নতজাতের ধান কৃষকের হাতে পৌঁছে দেয়া হবে। রক্সি-১ হাইব্রিড ধানের গাছ মাঝারি-উচ্চতা ও শক্ত হওয়ায় সহজে হেলে পড়েনা। রোগ বালাইও তুলনামূলক কম হয়। ফলে উৎপাদন খরজ কমে। প্রতি শতাংশে ১ মনের অধিক ফলন হয় ; কৃষকও বেশী লাভবান হন।