দুর্গাপুরে বন্যহাতির আক্রমণে মৃত্যু রোধে এগিয়ে এলো বিজিবি

এফএনএস (এস.এম রফিকুল ইসলাম; দুর্গাপুর, নেত্রকোনা) : | প্রকাশ: ৭ মে, ২০২৬, ০৮:২৮ পিএম
দুর্গাপুরে বন্যহাতির আক্রমণে মৃত্যু রোধে এগিয়ে এলো বিজিবি

নেত্রকোনার দুর্গাপুরে সীমান্ত এলাকার পাকা ধান কৃষকের ঘরে ওঠার অপেক্ষায়। এরই মধ্যে ফসলে হানা দিচ্ছে বন্যহাতির দল। গেল দু-দিন আগেও ধানক্ষেত পাহারা শেষে বাড়ি ফেরার পথে হাতির আক্রমণে একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হাতি ও মানুষের দ্বন্দ্ব নিরসনে উদ্যোগী হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ(বিজিবি)। বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিকেলে উপজেলার সদর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ভবানীপুর গ্রামে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করেছে বিজিবি। 

এ সময় ত্রিশ জন কৃষকের মাঝে টর্চলাইট বিতরণ করা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন ৩১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী, ময়মনসিংহ রেঞ্জের দুর্গাপুর উপজেলা বন কর্মকর্তা মনজু প্রামানিক, ভবানীপুর বিজিবি ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. আকবর, স্থানীয় ইউপি সদস্য রিদয় মিয়াসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা। মতবিনিময় সভায় সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা তুলে ধরেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করা হয়।

মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন ৩১ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল তৌহিদুল বারী। তিনি জানান, এই মৌসুমে  হাতি ধারা মানুষ আক্রান্ত হয়। গত দু-দিন আগেও একজন ব্যক্তি মারা গেছেন। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা এড়াতে সীমান্তবাসীদের সঙ্গে এই মতবিনিময় সভার আয়োজন করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, এলাকাবাসীর কাছ থেকে তাদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শোনা হয়েছে। সাধারণত হাতি আলো পছন্দ করে না, তাই টর্চলাইট ব্যবহার করলে হাতি’কে দূরে রাখা সম্ভব। হাতির আক্রমণের সময় তীব্র আলো ও শব্দের মাধ্যমে সেগুলো তাড়ানো যেতে পারে। যেসব এলাকায় হাতির অবস্থান বেশি, সেখানে কাঁটাযুক্ত গাছ লাগানো যেতে পারে। এছাড়াও সীমান্ত এলাকায় বৈদ্যুতিক আলোর ব্যবস্থা করা গেলে হাতির আক্রমণ কমে আসবে বলে তিনি মনে করেন। বিজিবির পক্ষ থেকে ত্রিশ জন কৃষকের মাঝে টর্চলাইট বিতরণ করা হয়েছে। অন্যান্য সংস্থাও যদি সীমান্তবাসীদের পাশে দাঁড়ায়, তাহলে এ ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনা কমে আসবে

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে