বাগেরহাটে

অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

এফএনএস (এইচ এম মইনুল ইসলাম; বাগেরহাট) : | প্রকাশ: ১০ মে, ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম
অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি বিরুদ্ধে জমি দখলের অভিযোগ

বাগেরহাটে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি ওমর ফারক এর বিরুরদ্ধে শিক্ষকের জমিদখলের অভিযোগ উঠেছে। রোববার বেলা ১১টায় বাগেরহাট প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন শিক্ষক দম্পতি আলতাফ হোসেন ও আমিরুন্নেছার মেয়ে ফারজানা জান্নাত।ফারজানা জান্নাত বলেন, আমার বাবা রামপাল উপজেলার গিলাতলা গ্রামে দানপত্র ও কবলা দলিল মুলে ক্রয়কৃত এবং ওয়ারেসূত্রে প্রাপ্ত হয়ে মোট ১১ শতক ১০ পয়েন্ট জমিতে ৩ তলা ভবন নির্মান করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন। ভবনের সামনের জমিতে ৪টি দোকানসহ ২টি ফ্যামিলি বাসা নির্মানকরে ভাড়া দেওয়া রয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশ পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি ওমর ফারুক আমাদের জমি সংলগ্ন ভবনের পশ্চিম পাশে থাকা আমার ছোট কাকা হাওলাদার রফিকুল ইসলামের কাছ থেকে এক শতক ৯ পয়েন্ট জমি ক্রয় করেন। ওই জমি ক্রয় করে আমদের ভোগদখলীয় দোকান ঘর ও ভাড়াটিয়া ঘর অবৈধভাবে দখলের পায়তারা শুরু করে। এ উদ্দেশ্যে হঠাৎ গেল ৩১ মার্চ সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা ওমর ফারুকের নির্দেষে তার নিকট আত্মীয় শেখ ইস্রাফিল ও হাওলাদার রফিকুল ইসলাম ১০-১২ জন লোক নিয়ে আমাদের ভাড়া দেয়া দোকান ঘর ভাংচুর শুরু করে।

আমরা সম্পদ রক্ষায় ৯৯৯-এ ফোন করলে, রামপাল থানার এসআই প্রদীপ কুমার ঘটনা স্থলে আসেন। ভাংচুর করতে নিষেধ না করে থানায় চলে যান।পরবর্তীতে গেল ১লা এপ্রিল আমরা থানায় এজাহার এবং খুলনা ডিআইজি বরাবর অভিযোগ দাখিল করি ।  কিন্তু রামপাল থানা পুলিশ এখনও কোন তদন্ত বা ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। এমনকি ডিআইজি অফিস থেকেও কোন আইনগত প্রতিকার পাই নাই।অন্যদিকে আদালতে দায়ের করা দেঃ ৩০৬/২৫ নং মামলায় আদালত দখলকারীদের বিরুদ্ধে অস্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রদান করলেও, তারা আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমাদের ৪টি দোকান ও ২টি বসত ঘর ভেংগে তার সকল মালামাল আত্মসাৎ করে সেখানে অবৈধ ভাবে পাকা দেয়াল দিয়ে ঘর তৈরীর কাজ অব্যাহত রেখেছেন।

অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি ওমর ফারুক এতই  ক্ষমতাশালী যে, প্রশাসন সহ স্থানীয় জন প্রতিনিধিগন তার এই অবৈধ কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেনা।ফারজানা জান্নাত আরও বলেন, তারা আমাদের নিয়মিত হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদান করে যাচ্ছে। আমরা আমাদের পরিবার পরিজন নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। তারা যেকোন মুহুর্তে আমাদের মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির করা সহ যেকোন ধরনে বড় ক্ষতি করতে পারে। আমরা বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কাছে বারবার আবেদন করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছিনা। এখন আমাদের যাওয়ার মত কোন যায়গা নেই এজন্য আপনাদের স্বরনাপন্ন হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আপনাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী, বাংলাদেশ পুলিশের মহাপরিদর্শকসহ সকলের কাছে অবসরপ্রাপ্ত অতিরিক্ত ডিআইজি পুলিশ কর্মকর্তা ওমর ফারুকের হাত থেকে রক্ষা পেয়ে সহায়তা কামনা করছি।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে