ঈদুল আজহা, কাউখালীতে প্রস্তুত ১৫শ গবাদি পশু

এফএনএস (মোঃ রফিকুল ইসলাম রফিক; কাউখালী, পিরোজপুর) : | প্রকাশ: ১১ মে, ২০২৬, ০১:৫৩ পিএম
ঈদুল আজহা, কাউখালীতে প্রস্তুত ১৫শ গবাদি পশু

কোরবানি ঈদুল আজহা সামনে রেখে পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে ১৫শ ৩১টি গবাদি পশু। এর মধ্যে আছে  ৬৪২টি ষাঁড়, ১৮৮টি বলদ, ১১৯টি গাভি,  ৫৭৮টি ছাগল । উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. সোমা সরকার জানান, তাদের প্রশিক্ষণ ও পরামর্শে খামারিরা গবাদি পশু মোটাতাজা করেছেন। এসব প্রাণী মোটাতাজা করতে কোনো রাসায়নিক বা অপদ্রব্য ব্যবহার করেনি।

খড়, গম, ডালের ভুসি, কাঁচা ঘাস, খৈল, ধানের কুড়া খাওয়ানো হচ্ছে। তিনি বলেন, কাউখালী উপজেলায় কোরবানির জন্য চাহিদা রয়েছে ১৪৭৮টি গবাদি পশুর। ঈদ সামনে রেখে খামারগুলোয় পশু লালন-পালনে কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর পশু নিরাপদে বাজারে সরবরাহের জন্য প্রয়োজনী পরামর্শ দিচ্ছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরামর্শে ৬টি গরু মোটাতাজা করেছেন সদর উপজেলার মধ্য বাশুড়ী গ্রামের খামারি মাওলানা লোকমান হোসেন।

তিনি বলেন, মাদ্রাসা সামলিয়ে অনেক কষ্টে খামার করেছি। এ বছর গো-খাদ্যের দাম চড়া। গরু মোটাতাজা করতে বাড়তি খরচ হয়েছে। ভারত অথবা অন্য দেশ থেকে পশু না এলে কোরবানির হাটে আমাদের পশুর ন্যায্যমূল্য পাব আশা করছি। তার খামারে দের লাখ থেকে তিন লাখ টাকার গরু রয়েছে। ২০টি গরু মোটাতাজা করেছেন সদর উপজেলার উজিয়ালখান গ্রামের উত্তম মৃদা। তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার বাড়তি খরচ হয়েছে। প্রত্যাশিত মূল্য পেলে লাভের মুখ দেখতে পারব। বিদেশি গরু হাট দখল করলে দেশি গরুর চাহিদা কমবে। সে ক্ষেত্রে লোকসানের শঙ্কা রয়েছে। আইরন-ঝাপুষী গ্রামের মোঃ জসিম, দাশেরকাঠী গ্রামের মোঃ হেলাল হোসেন, নীলতি গ্রামের মোঃ বেলায়েত সহ এই উপজেলায ছোট-বড় মিলিয়ে মোট ৭২৪ টি খামার রয়েছে।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বলেন, এই এলাকার খামারিরা খাস না দিয়ে পশুকে দানাদার খাবারের দেয়ায় তাদের উৎপাদন খরচ বেশি লাগে। উপজেলার  কোরবানির এসব হাট তদারকির জন্য ইতোমধ্যে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে