রামগতির চরে আটকে পড়া ৩ শতাধিক দর্শনার্থী উদ্ধার

এফএনএস (নজরুল ইসলাম; রামগতি, লক্ষ্ণীপুর) : | প্রকাশ: ৩০ মে, ২০২৬, ০৩:১৬ পিএম
রামগতির চরে আটকে পড়া ৩ শতাধিক দর্শনার্থী উদ্ধার

লক্ষ্ণীপুরের রামগতিতে মেঘনা নদী বেষ্টিত দুর্গম কিল্লার চরে (ময়নার চর) আটকে পড়া দর্শনার্থীদের উদ্ধার করেছে নৌ-পুলিশ। শুক্রবার দিবাগত রাত পোনে ১ টার দিকে ৩ শতাধিক দর্শনার্থী উদ্ধার কাজ শেষ করা হয়। উপজেলা সদর আলেকজান্ডার মেঘনা নদীর বেড়িবাঁধে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা এসব দর্শনার্থীরা অনেকেই ট্রলার কিংবা নৌকায় করে মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে ওই চরে চরে ঘুরতে যায়। দিন শেষে সদ্ধ্যার দিকে নৌকা-ট্রলার না পাওয়ায় এসব দর্শনার্থী আটকা পড়ে। 

শনিবার সকালে বড়খেরী নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির দায়িত্বরত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক এহসানুল হক হীরা বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বেড়িবাঁধে আসা দর্শনার্থীরা ট্রলারযোগে মেঘনা নদীর বিভিন্ন চরে ঘুরতে যায়। এর মধ্যে কিল্লার চরে এসব দর্শনার্থী আটকে পড়ে। সন্ধ্যার দিকে তাদের ভাড়া করা ট্রলারগুলো নিয়ে আসতে যেতে পারেনি। সন্ধ্যার দিকে কালবৈশাখী ঝড় এবং পরবর্তীতে নদীতে ভাটা থাকার করণে নৌকা-ট্রলার কিল্লার চরে ভিড়তে পারেনি। এতে নারী ও শিশুসহ ৩ শতাধিক দর্শনার্থী আটকে পড়ে। খবর পেয়ে নৌ-পুলিশ রাত পোনে ১ টার দিকে তাদের উদ্ধার অভিযান শেষ করা হয়। ৫০-৬০ জন দর্শনার্থী নিয়ে একটি ট্রলার চরে আটকে পড়ার কারণে উদ্ধার কাজ বিলস্ব হয়। উপজেলা পরিষদ সংলগ্ন ঘাটে নেমে তারা নিজ নিজ বাড়িতে চলে যায়।

উপজেলা সদর আলেকজান্ডার মেঘনা নদীর বেড়িবাঁধে বিভিন্ন স্থান থেকে দর্শনার্থীরা এসে ভিড় করে। এদের অনেকেই ট্রলার কিংবা নৌকায় করে মেঘনা নদী পাড়ি দিয়ে বিভিন্ন চরে ঘুরতে যায়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার নিলুফা ইয়াসমিন নিপা বলেন, বিভিন্ন এলাকা থেকে মেঘনা নদীর বেড়ীবাঁধে আসা দর্শনার্থীরা নদী বেষ্টিত চর গুলোতে বেড়াতে যায়। সারা দিন তারা সেখানে থাকে। এর মধ্যে সন্ধ্যার দিকে কালবৈশাখী ঝড় এবং পরবর্তীতে নদীতে ভাটা থাকার করণে নৌকা-ট্রলার কিল্লার চরে ভিড়তে পারেনি। এতে দর্শনার্থীরা আটকে পড়ে। খবর পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনের সহায়তায় নৌ-পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

আপনার জেলার সংবাদ পড়তে