ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইলে বিএনপি’র প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। দিবসটি পালন উপলক্ষ্যে গত শনিবার বিকেলে স্থানীয় বিএনপি’র আয়োজনে উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বিএনপি’র সভাপতি আনিছুল ইসলাম ঠাকুরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন সংরক্ষিত আসনের (মহিলা আসন) সংসদ সদস্য নাদিয়া পাঠান পাপন। যুবদলের আহবায়ক আবু সুফিয়ান সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন- উপজেলা বিএনপি’র সহসভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম মানিক, আশরাফুল করিম রিপন, আবুল কাশেম, যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক নুরূল আমিন মাষ্টার, ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক জামাল লস্কর, জাসাসের আহবায়ক রিপন ঠাকুর, নোয়াগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি’র সম্পাদক মো. বকুল মিয়া, পানিশ্বর ইউপি বিএনপি’র সভাপতি মোবারক আলী ও সার্বিক ব্যবস্থাপনায় দপ্তর সম্পাদক এবিএম সালাহ উদ্দিন বিপ্লব। প্রধান অতিথি বলেন, দলের নেতা কর্মী ও সাধারণ মানুষের জন্য কাজ করাই হচ্ছে আমার বড় দায়িত্ব। বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। আমরা লাল সবুজের পতাকা পেতাম না। আজ সেই মহামানবের প্রয়াণ দিবসে তার আত্মার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি। জিয়াউর রহমানের আদর্শ লালন ও ধারণ করি বলেই আজ আমরা জাতীয়তাবাদী দলের সদস্য। উনার শাসন আমলেই তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে সমৃদ্ধ বাংলাদেশ উপহার দিয়েছেন। আমি জানি দলীয় প্রার্থী না পাওয়ায় আপনাদের মনে অনেক কষ্ট আছে। সরাইল আশুগঞ্জ বিএনপি’র ঘাটি। জনাব তারেক রহমান বিশ্বাস করেন এই আসনটি উনার। এই ভোট উনার। এখানকার প্রত্যেকটা নেতা কর্মী উনার। আমার নামের জন্য এখানে আসিনি। আমি এসেছি আমার নেতা তারেক রহমানের নাম আপনাদের মুখে মুখে থাকবে। জিয়াউর রহমানের নাম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নাম আপনাদের কলিজায় থাকবে। দলের কিছু নিয়ম নীতি আছে। দলের খাবেন পড়বেন আবার সেই দলের বিরূধীতা করবেন তা হতে পারে না। আমরা এমন ভাবে কাজ করব যাতে এই এলাকার ঘরে ঘরে বলে ধানের শীষ। সবশেষে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।