এক বন্ধুর বাড়িতে সিঁদ কেটে চুরি করেছে ঘনিষ্ঠ তিন বন্ধু। পরে সন্দেহজনকভাবে তিনজনকে ঘোরাফেরা করতে দেখে তল্লাশীর একপর্যায়ে তাদের কাছ থেকে চোরাই মালমাল উদ্ধার করা হয়। সর্বশেষ পুলিশের সোপর্দের পর তিনজনের ঠাঁই হয়েছে কারাগারে। ঘটনাটি ঘটেছে বরিশালের মুলাদী পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের তেরচর গ্রামের পাইতিখোলা এলাকায়। আটককৃতরা হলেন, তেরচর গ্রামের পিন্টু মাঝির ছেলে অলিউল্লাহ মাঝি (২১), পারভীন আক্তারের ছেলে ইয়ামিন (২৪) ও চরডিক্রী এলাকার আলমগীর সিকদারের ছেলে নয়ন সিকদার (২৫)। তারা তিনজন বন্ধু মিলে ৩০ মে দিবাগত রাতে তাদের অপর ঘনিষ্ঠ বন্ধু ফাহাদ হাওলাদারের বাড়িতে সিঁদ কেটে চুরি করে। এ ঘটনায় ফাহাদ হাওলাদার বাদি হয়ে তার তিন বন্ধুকে আসামি করে মুলাদী থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার সূত্রে জানা গেছে, তেরচর পাইতিখোলা এলাকার মৃত বজলু হাওলাদারের ছেলে ফাহাদ হাওলাদারের সাথে নয়ন সিকদার, ইয়ামিন ও অলিউল্লাহর ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্বের সর্ম্পক রয়েছে। ৩০ মে দিবাগত রাতে নয়ন, ইয়ামিন ও অলিউল্লাহ সিঁদ কেটে ফাহাদের ঘরে প্রবেশ করে তিনটি মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ও রূপার গহনাসহ নগদ ২০ হাজার টাকা চুরি করে নিয়ে যায়। ৩১ মে সকালে ফাহাদ ঘরে সিঁদকাটা ও মালামাল তছনছ দেখে চুরির বিষয়টি বুঝতে পেরে স্থানীয়দের জানায়।
সূত্রে আরও জানা গেছে, ওইদিন সকাল সাতটার দিকে ফাহাদের তিন বন্ধুকে একসাথে দেখে স্থানীয়দের সন্দেহ হলে তাদের আটক করা হয়। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে তারা ফাহাদের বাড়িতে চুরির বিষয়টি স্বীকার করে। এসময় তিনজনকে তল্লাশি করে চুরি হওয়া তিনটি মোবাইল ফোন, রূপার চেইন ও আংটিসহ নগদ ছয় হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। পরে তিনজনকে থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে। মুলাদী থানার ওসি খন্দকার মো. সোহেল রানা বলেন, সিঁধ কেটে চুরির ঘটনায় মামলা দায়েরের পর আটককৃত তিনজনকে ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।