মুন্সীগঞ্জের গজারিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, বাড়িঘরে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় ৪২ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ ৭ জনকে আটক করেছে।
মঙ্গলবার (২ জুন) দুপুরে উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের টান বলাকী গ্রামের জুলহাস মিয়ার ছেলে তোফাজ্জল হোসেন বাদী হয়ে গজারিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করেন।
আটককৃতরা হলেন, চর বলাকী গ্রামের
মৃত আবুল হাসেমের ছেলে গিয়াস উদ্দিন (৬৫), মৃত ফজলুল করিমের ছেলে আনোয়ার হোসেন প্রধান (৫০), মাহফুজ প্রধানের ছেলে মো. জাহাঙ্গীর আলম (৩২), শুক্কুর আলীর ছেলে মো. জান্নাত (৩১), টান বলাকী গ্রামের হাজী মাহফুজ মেম্বারের ছেলে মো. মাসুম (৪৫), মনজুর আলম (৪৪) এবং কেরামত আলী মাস্টারের ছেলে মো. মাজহারুল (৫৫)।
আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে গজারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আলী বলেন, ঘটনার পর পুলিশ দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। হোসেন্দী ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকা ও রাজধানীর সানারপাড় এলাকায় অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত সাতজনকে আটক করা হয়েছে।
ওসি হাসান আলী আরও জানান, ঘটনার সাথে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বর্তমানে এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং সবকিছু পুলিশের নিয়ন্ত্রণে আছে।
জানা যায়, সোমবার দুপুরে চর বলাকী গ্রামের হোসেন্দী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব এ কে সুমন এবং একই গ্রামের উপজেলা যুবদলের সদস্য আনোয়ার প্রধানের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের সমর্থকরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। সংঘর্ষ চলাকালে স্থানীয় একটি ওয়ার্ড বিএনপির কার্যালয়ের টিনের বেড়া ও প্লাস্টিকের চেয়ার ভাঙচুর করা হয়। পাশাপাশি আশপাশের ৭ থেকে ৮টি বসতঘরেও হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত তিনজন আহত হন।